Thursday, February 4, 2021

Post # 1028 Bengali Amarchitra Katha 170

                                                          ডাউনলোড করুন

 

বেদে অন্য সকল দেবতা অপেক্ষা ইন্দ্রের উল্লেখ বেশীবার আছে । ঋকবেদের স্ত্রোত্রের এক চতুর্থাংশ তাঁকেই সম্বোধন করে রচিত হয়েছে।

ইন্দ্র ও বৃত্রের যুদ্ধের সর্বাপেক্ষা প্রাচীন উল্লেখ পাওয়া যায় ঋকবেদে, সেখানে বৃত্রকে অনাবৃষ্টির অসুর বলে বর্ণনা করা হয়েছে । ইন্দ্র অসুরটিকে বধ করে জলকে বন্ধনমুক্ত করেন এবং বৃত্রের সংহারকর্তা বলে অভিহিত হন । ঋকবেদে ইন্দ্রকে একাধারে স্নেহময় বন্ধু ,ভ্রাতা,পিতা ও মাতা বলে প্রশংসা করা হয়েছে। কিন্তু খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ শতাব্দীতে বৈষ্ণব ধর্মের উদয়ের পরে ইন্দ্র বিষ্ণুর নিকটে তাঁর শ্রেষ্ঠতার আসন হারালেন।

পৌরাণিক বৃত্তান্ত সমূহে দেখা যায় ইন্দ্র যখনই বপদে পড়েন তখনি বিষ্ণুর শরণাপন্ন হন । তিনি বার বার অসুর কর্তিৃক পরাজিত হন এবং বিষ্ণুর উপদেশ ও অনুগ্রহ পেলে তবে বিজয় লাভ করতে সমর্থ হন ।

ইন্দ্রের সঙ্গে তাঁর মহাশত্রু বৃত্রের সংঘর্ষের এই কাহিনী ভগবত্‌ পুরান থেকে নেওয়া হয়েছে । বেদ ও মহাভারতে বর্ণিত কাহিনীর সঙ্গে এর পার্থক্য আছে ।  






 

Wednesday, February 3, 2021

Post # 1027 Bengali Amarchitra Katha 164

                                                      ডাউনলোড করুন

 

হিন্দুদের মুখ্য দেবতার মধ্যে শিব তৃতীয়, ব্রহ্মা সৃষ্টির দেবতা, বিষ্ণু রক্ষণের আর শিব ধ্বংসের দেবতা ।সম্ভবত সেই কারনেই বলা হয় ...হর হর মহাদেব । ধ্বংসের  দেবতা হলেও শিব কিন্তু ভয়ঙ্কর নন। তিনি বিষ্ণুর মতোই জনপ্রিয় । দূরআত্মার তিনি যম আর ধার্মিকের তিনি প্রিয় ।

হিন্দুদের লোকগাথায় শিবকে কিন্তু তিনটি রুপেই দেখতে পাওয়া যায় । কখনো তিনি স্রষ্টা ,কখনো রক্ষক কখনো বা তিনি ধ্বংসের দেবতা। এলিফান্টা গুহার মহেশ মূর্তিতে এই তিনটি রুপেরই সংমিশ্রণ ঘটেছে ।

অর্জুন ও শিবের সাক্ষাৎ মহাভারতের বিভিন্ন নাটকীয় মুহূর্তের একটি । ভক্ত অর্জুন একজন যোদ্ধা তাই শিব তাঁর কাছে এসেছেন যোদ্ধা ‘’কিরাতের’’ বেশে । ভক্তের সঙ্গে মহাদেবের যুদ্ধের কাহিনীটিও খুবই উপভোগ্য।

ধীবর শিবের কাহিনী তামিল সাহিত্য থেকে এবং মার্কণ্ডেও-র গল্পটি ‘স্কন্দ পুরান’ থেকে আরহন করা হয়েছে এই বইতে ।      




 

Tuesday, February 2, 2021

Post # 1026 English Amarchitra Katha 163

                                                                       ডাউনলোড করুন

 


এই বইটি বাংলা ভাষায় প্রকাশিত হয়নি ।

প্রায় দেড় হাজার বছর আগের কথা। সে সময় ‘মহিলারোপ্য’ নামে দক্ষিণ ভারতে একটি রাজ্য ছিল, যে  রাজ্যের রাজা অমরশক্তি ছিলেন খুব বিদ্বান, বুদ্ধিমান ও বিচক্ষণ। কিন্তু রাজার মনে কোনো শান্তি ছিল না। কেননা, তাঁর তিনটি ছেলেই ছিল অকাট মূর্খ ও অপোগণ্ড। পণ্ডিতেরা বলে গেছেন, অপুত্রক, ভূমিষ্ঠ হয়ে মারা যায় এমন পুত্রও ভালো। কারণ, এরা স্বল্প দুঃখের কারণ হয়; কিন্তু মূর্খ পুত্র কখনো ভালো নয়। কারণ, তারা যত দিন জীবিত থাকবে তত দিন শুধুই কষ্ট দেয়। যা হোক রাজ্যের প্রধান সচিবের পরামর্শে রাজা তাঁর অপোগণ্ড পুত্রদের পড়ানোর জন্য বিষ্ণুকর্মা নামের এই নীতিশাস্ত্রবিদ পণ্ডিতকে নিয়োগ করেন। বিষ্ণুকর্মা সেই রাজপুত্রদের লেখাপড়াকে সহজ করার উদ্দেশ্যে মিত্রভেদ, মিত্রপ্রাপ্তি, কাকোলুকীয়, লব্ধ-প্রণাশ ও অপরীক্ষিতকারক নামে পাঁচটি উপদেশমূলক পুস্তক রচনা করেছিলেন, যেগুলোর সম্মিলিত নাম পঞ্চতন্ত্র। আর এগুলোর সাহায্যে বিষ্ণুকর্মা অতি অল্পকালের মধ্যেই অমরশক্তির তিন পুত্রকে নীতিশিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলতে সমর্থ হয়েছিলেন।
তা শিশুমনের উপযোগী এ কাহিনি ভারতবর্ষে তো বটেই, সারা পৃথিবীতেই সমাদৃত হয়েছে। মধ্যযুগ পঞ্চতন্ত্রের কাহিনি পারস্য হয়ে আরব দেশে পৌঁছায় এবং ওখানে ওটার নামকরণ করা হয় কালিলা ওয়া দামনা। পঞ্চতন্ত্রে বিবৃত কাহিনির অন্যতম কুশীলব হচ্ছে দমনক ও করটক নামের দুটো বুদ্ধিমান শিয়াল এবং বলাই বাহুল্য, কালিলা ও দামনা হচ্ছে যথাক্রমে করটক ও দমনকের আরব্য সংস্করণ। প্রফেসর হিট্টি তাঁর হিস্ট্রি অব দ্য সারাসেনস (History of the Saracens) গ্রন্থে এ সম্পর্কে বিস্তৃত বিবরণ দিয়েই ক্ষান্ত হননি, গুটি কয়েক গীতিগল্পও উদ্ধৃত করেছেন; আর আমাদের সৈয়দজাদা মুজতবা আলী সাহেবও দেশ পত্রিকায় রম্য সিরিয়াল লেখার সময় ‘পঞ্চতন্ত্র’ শিরোনামটি বেছে নিয়েছিলেন।
সে যাকগে। এস্থলে আমি পঞ্চতন্ত্রের বিভিন্ন তন্ত্রে বিবৃত কাহিনিগুলোর অন্তর্নিহিত কতিপয় হিতোপদেশ পরিবেশন করছি—
(১) বিষমিশ্রিত অন্ন, শিথিল দন্ত এবং দুষ্টু মন্ত্রীকে পরিত্যাগ করাই উচিত।
(২) প্রভুর সামনে ভৃত্য নীরব থাকলে সে মূর্খ, বেশি কথা বললে বাতুলতা, সহনশীল হলে ভীরু, অসহিষ্ণু হলে সদ্বংশজাত নয়, সব সময় কাছে থাকলে ধৃষ্ট আর দূরে থাকলে অযোগ্য।
(৩) দুশ্চরিত্রা ভার্যা, মুখের ওপর জবাব দেওয়া ভৃত্য আর ঘরে সাপ নিয়ে বাস মৃত্যুতুল্য।
(৪) ধর্মে আটটি পথ আছে। তা হচ্ছে যজ্ঞ, তপস্যা, দান, অধ্যয়ন, সত্য বাক্য, সন্তোষ, ক্ষমা ও লোভশূন্যতা। প্রথম চারটির জন্য মানুষ গর্ব করে আর শেষের চারটি থাকে ধার্মিকদের জন্য।
(৫) উৎসবে, বিপদে, দুর্ভিক্ষের সময়ে, রাষ্ট্রবিপ্লব উপস্থিত হলে এবং শ্মশানে (গোরস্থানে) যে উপস্থিত থাকে, সেই তো প্রকৃত বন্ধু।
(৬) যে দেশে সম্মান নেই, জীবিকা নির্বাহের উপায় নেই, বন্ধু নেই, বিদ্যাশিক্ষার কোনো উপায় নেই, সে দেশ ত্যাগ করাই ভালো।
(৭) পরশ্রীকাতর (এবং পরস্ত্রীকাতরও বটে), অত্যন্ত দয়ালু, অসন্তুষ্ট, ক্রোধী, অন্যের অন্নে জীবনধারণকারী ও সর্বদা শঙ্কামুক্ত—এরা সব সময়ই দুঃখ ভোগ করে থাকে।
(৮) অর্থনাশ, মনস্তাপ, গৃহ কলঙ্ক, বঞ্চনা ও অপমান বুদ্ধিমান মানুষ কখনো প্রকাশ করে না।
(৯) যুদ্ধের সময় বীরকে, ঋণ পরিশোধের সময় সজ্জনকে, ধর্মকর্মের সময় স্ত্রীকে আর বিপদের সময় বন্ধুবান্ধবদের ব্যবহারেই প্রকৃত স্বরূপ জানতে পারা যায়।
(১০) কাম, ক্রোধ, লোভ, মদ, মোহ ও মাৎসর্য—এই ছয় রিপু ত্যাগ করলে মানুষ সুখী হয়।
(১১) প্রণয় দ্বারা স্ত্রীকে, সম্ভ্রমের দ্বারা আত্মীয়-জ্ঞাতিবর্গকে, স্ত্রী এবং ভৃত্যদের অর্থ ও সরল ব্যবহার দ্বারা বশীভূত করবে।
(১২) যে স্ত্রী গৃহকর্মে নিপুণা, পুত্রবতী, পতিপ্রাণা এবং পতিব্রতা, সেই হচ্ছে প্রকৃত স্ত্রী।
পরিশেষে পরিবেশন করছি পঞ্চতন্ত্রের অন্তর্গত হরিণ ও কাকের বন্ধুত্ব-সংক্রান্ত সরস নীতি গল্পটি:
মগধ দেশে চম্পকবতী নামক বনে একটি হরিণ ও একটি কাক বন্ধুভাবে বাস করত। এক দিন হরিণকে দেখে এক শিয়ালের মনে খুব লোভ হলো। সে হরিণের মাংস খাওয়ার জন্য মনে মনে ফন্দি-ফিকির করতে লাগল। হরিণের বিশ্বাস অর্জন করতে সে হরিণের কাছে গিয়ে তার কুশল-সংবাদ জিজ্ঞেস করতেই হরিণ জিজ্ঞাসুনেত্রে তাকানোয় বলে উঠল, ‘আমি হচ্ছি শিয়াল। আমি বন্ধুহীন হয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছি, সারা বনে একজনও প্রকৃত বন্ধু খুঁজে পেলাম না। তোমাকে দেখে আমার মনে হলো, তুমি বুঝি আমার প্রকৃত বন্ধু।’ শিয়ালের কথায় হরিণের মন গলে গেল। বলল, ‘ঠিক আছে, আজ থেকে আমরা দুজনে বন্ধু হলাম।’ শিয়াল মনে মনে খুব খুশি। অতঃপর ওরা দুজনে মিলে বনে-জঙ্গলে ঘুরে বেড়াতে লাগল। সন্ধ্যা হয়ে এলে হরিণ শিয়ালকে তার নিজের বাসায় নিয়ে গেল, সেখানে তার বন্ধু কাকও চম্পকগাছে থাকত। তো শিয়ালকে দেখে ও বৃত্তান্ত শুনে কাক হরিণকে বলল, অজ্ঞাত কুলশীলের সঙ্গে বন্ধুত্ব! না-না, এ কাজটা তুমি মোটেই ভালো করোনি বন্ধু। অজ্ঞাতকুলশীলদের কখনো বাসস্থান দেওয়া ঠিক নয়। বৃদ্ধ শকুনও তো বিড়ালকে বাসস্থান দিয়েই নিহত হয়েছিল। বলেই সে শকুন ও বিড়ালের কাহিনি শোনাল।
ভাগীরথী নদীর তীরে পাহাড়ের চূড়ায় একটা পাকুড়গাছে অনেক পাখি একসঙ্গে বাস করত এবং তাদের সঙ্গে একটা বুড়ো শকুনিও ছিল। শকুনি বয়সের কারণে নিজে খাবার জোগাড় করতে পারত না বিধায় অন্যান্য পাখি খাবারের খোঁজে বেরিয়ে গেলে সে তাদের বাচ্চাগুলো পাহারা দিত আর পাখিগুলো ওর খাবার জোগাত। এভাবেই ওদের সুখের দিনগুলো যাচ্ছিল। কিন্তু একদিন অশনিসংকেতস্বরূপ এক বিড়ালের আগমন ঘটল। বিড়ালের ইচ্ছা পাখির বাচ্চাদের ধরে খাবে; কিন্তু তাকে দেখেই শকুনি তেড়ে এল। বিড়াল তখন বলল, ‘আমি নিরামিষভোজী। পাখিদের কাছে আপনার প্রশংসা শুনে আপনার কাছে ধর্মকথা জানতে এসেছি, আর আপনি অতিথি সৎকার না করে আমাকে তাড়িয়ে দিচ্ছেন?’ তার কথায় বিশ্বাস করে শকুনি বিড়ালকে থাকতে দিল; আর বিড়াল রোজই একটা করে পাখির বাচ্চা ধরে আহার করতে লাগল। কিন্তু এক দিন ব্যাপারটা ধরা পড়তেই বিড়াল বিপদ বুঝে পালিয়ে গেল এবং পাখিরা শকুনিকে ভুল বুঝে তাকে মেরে ফেলল।
কিন্তু শিয়াল তর্কাতর্কিতে ওস্তাদ। সে কাকের সঙ্গে তর্ক করে হরিণকে আশ্বস্ত করে ফেলল এবং অতঃপর তিনজনে মিলে বন্ধুর মতো বাস করতে লাগল। একদিন শিয়াল বুদ্ধি করে হরিণকে শিকারিদের পাতা ফাঁদে আটকিয়ে দিল। ওর ধারণা, শিকারিরা যখন হরিণকে কাটবে তখন ওর ভাগ্যে দু-একটা হাড় অবশ্যই জুটবে। হরিণ ফাঁদে আটকা পড়ে শিয়ালকে ডেকে বলল, ‘উৎসবে, বিপদে, দুর্ভিক্ষের সময়ে এবং শ্মশানে যে উপস্থিত থাকে, সে-ই তো প্রকৃত বন্ধু। তুমি বুদ্ধি করে আমাকে বাঁচাও।’ কিন্তু ধূর্ত শিয়াল হরিণের কথায় কর্ণপাত না করে গাছের আড়ালে লুকিয়ে গেল।
শেষাবধি কাক বিষয়টা জানতে পেরে অনেক বুদ্ধি করে বন্ধুর প্রাণ বাঁচিয়েছিল, আর শিকারির ছুড়ে মারা লাঠির আঘাতে লুকিয়ে থাকা শিয়ালকে প্রাণ দিতে হলো। ওর উচিত শিক্ষাই হয়ে গেল।
আতাউর রহমান: রম্যলেখক৷ ডাক বিভাগের সাবেক মহাপরিচালক৷






 

Monday, February 1, 2021

Post # 1025 Bengali Amarchitra Katha 161

                                                                    ডাউনলোড করুন



  আম্রপালি

বৈশালী (প্রাচীন শহর)-এ আম্রপালি নামের একজন নারী নৃত্যশিল্পী ছিলেন। বৈশালী শহরটি এখন বিহার রাজ্য-এর অন্তর্গত এবং আম্রপালি খ্রিষ্টপূর্ব ৫০০ বছর আগে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।মগধের রাজা অজাতশত্রুর রাজকীয় দরবারে আম্রপালি নাচতেন, এবং তার নাচে মুগ্ধ হতেন মগধ রাজা। বৌদ্ধ ধর্মের পালি লিপিতেও আম্রপালির কথা উল্লেখ রয়েছে তবে আম্রপালির মূল বর্ণনা হিন্দু পুরাণেই পাওয়া যায়, আর বৌদ্ধ ধর্মে আম্রপালিকে 'আম্বপালি' নামেও ডাকা হত।

১৯৬৬ সালে ভারতে হিন্দি ভাষার একটি চলচ্চিত্র মুক্তি পায় যার নাম ছিলো 'আম্রপালি' এবং চলচ্চিত্রটি এই প্রাচীন নারীর চরিত্র নিয়েই নির্মিত ছিলো এবং চলচ্চিত্রটির পরিচালক ছিলেন লেখ ট্যান্ডন, ১৯৬০-এর দশকের খ্যাতিমান হিন্দি চলচ্চিত্র অভিনেত্রী বৈজয়ন্তীমালা ছিলেন আম্রপালি চরিত্রে।২০০২ সালে দূরদর্শন চ্যানেলে আম্রপালি নামের একটি ধারাবাহিক নাটক প্রচারিত হত। 

 উপগুপ্ত

 খ্রিস্টপূর্ব তৃতীয় শতাব্দীর একজন বৌদ্ধ ভিক্ষু ছিলেন। অশোকাবদান গ্রন্থানুসারে, তিনি মৌর্য্য সম্রাট অশোকের আধ্যাত্মিক শিক্ষক ছিলেন,রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার অভিসার নামক কবিতাটি উপগুপ্তের কাহিনীর ওপর নির্ভর করে তৈরী করেছেন। এই কবিতায় দেখা যায়, শ্রাবণ মাসের একদিন উপগুপ্ত মথুরা নগরীতে ঘুমোচ্ছিলেন, এমন সময় বাসবদত্তা নামক এক রাজনর্তকী তাকে লক্ষ্য করেন। উপগুপ্তের সুন্দর চেহারায় মুগ্ধ হয়ে বাসবদত্তা তাকে তার গৃহে আমন্ত্রণ জানান। কিন্তু ভিক্ষু উপগুপ্ত তার অণুরোধ প্রত্যাখান করেন। সাত মাস পরে, চৈত্র মাসে নগরবাসীরা বনে উৎসব পালনে গেলে উপগুপ্ত সেই জনশূন্য নগরীর শেষ প্রান্তে রোগগ্রস্ত ও কদাকার অবস্থায় বাসবদত্তাকে দেখতে পান। মথুরা নগরীর অধিবাসীরা বাসবদত্তাকে শহর থেকে তাড়িয়ে দিয়েছিলেন। ভিক্ষু উপগুপ্ত তাকে যত্ন করে সুস্থ করেন এবং একসঙ্গে বসবাস শুরু করেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর দশম-একাদশ শতাব্দীর কাশ্মীরি কবি ক্ষেমেন্দ্র রচিত বোধিসত্ত্বাবদানকল্পলতা নামক গ্রন্থ থেকে এই কাহিনী গ্রহণ করেছিলেন।







 

Sunday, January 31, 2021

Post # 1024 Bengali Amarchitra Katha 159

                                                       ডাউনলোড করুন

 

বিখ্যাত তেলেগু কবি মঞ্চানা-র ‘’কেয়ূর বাছ চরিতারামু’’  কাব্য গ্রন্থ টি রাজা কেয়ূর বাহু-র কাহিনী নিয়ে লেখা । কাহিনীটি চারটি অধ্যায়ে বিভক্ত এবং এখন থেকে সাতশো বছর  আগে,ত্রয়োদশ শতাব্দীতে,পুঁথির আকারে প্রথম প্রকাশিত হয় । দীর্ঘ- কবিতাটিতে মানুষ ,পশু,পাখি ইত্যাদি নিয়ে নানা ছোট ছোট গল্প ও কাহিনী ছড়িয়ে আছে ।

মঞ্চানাও কিন্তু তাঁর কাহিনীর মূল উপাদান অপরের কাছ থেকে নিয়েছেন । নবম শতাব্দীতে কবি রাজশেখর ‘’বিদ্যাশালা ডঞ্জিকা’’  নামে একটি নাটক রচনা করেন । কবি মঞ্চানা ঐ নাটকটির কাছে অনেক দিন থেকেই ঋণী । তবে নাটকে নেই এমন বাইশটি ছোট গল্প তাঁর দীর্ঘ কবিতাটিতে সংকলিত হয়েছে । তাঁর সমকালীন তেলেগু লোকসাহিত্য যেসব গল্প কাহিনী খুবই জনপ্রিয় ছিল , সম্ভবত সেগুলিকেই তিনি কাজে লাগিয়েছেন।

এই সংকলনে গল্পগুলি যদিও কবির রচনা থেকে সংগ্রহীত তবু প্রয়জনের খাতিরে সেগুলিকে সামান্য পরিবর্তন করা হয়েছে বলে মনে হয় ।