আজ দুই বন্ধু নন্টে ফন্টে কীর্তি কাহিনীর ৪ পর্ব আপনাদের জন্য থাকছে , শৈশবের দিন গুলি এই বই গুলি রঙিন করে রেখেছিল আমাকে ।
আজ দুই বন্ধু নন্টে ফন্টে কীর্তি কাহিনীর ৪ পর্ব আপনাদের জন্য থাকছে , শৈশবের দিন গুলি এই বই গুলি রঙিন করে রেখেছিল আমাকে ।
আজ থাকছে প্রথম দিকের প্রিন্টের তৃতীয় পর্ব ।
আগে ও বলেছি প্রথম প্রিন্ট এর এই বই গুলি ১৯৮২ সালে প্রকাশ হওয়ার পর পরের প্রিন্ট গুলির প্রচ্ছদের রঙের পরিবর্তন দেখা যায় ।
আজ আর্কাইভ এ রাখার জন্য ডঃ সায়ন পালের ৪ টি ছোট ছোট কমিকস্ নিয়ে তৈরি করা একটি কমিকস্ দিলাম , এতে শিল্পীর কোন আর্থিক ক্ষতি হবে বলে মনে হয় না ,আর পি ডি এফ শেয়ার করা নিয়ে যাদের সমস্যা তাদের মনে রাখা উচিৎ যে তা হলে পাবলিক লাইব্রেরি গুলি আগে বন্ধ করা উচিৎ । একটি পত্রিকার চার বছরে চারটি বিশেষ সংখ্যায় এই ৪ টি কমিকস্ প্রকাশিত হয়ে ছিল ।
এই সেই প্রথম প্রকাশ সাদা কালো নন্টে ফন্টে ,কিশোর ভারতীর পাতা থেকে নিয়ে বই আকারে প্রথম প্রকাশ পায় ডিসেম্বর ১৯৮১ সালে... মূল্য ছিল ১ টাকা ২৫ পয়সা... পরেএই বই গুলি অনেক বার প্রকাশ পেয়েছে ।
আজ তাঁর জন্মদিনে শ্রদ্ধা জানাই ।
১৯৩১ সালের ১৩ মার্চ পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার নবদ্বীপে বুড়ো শিবতলায় তাঁর মামার বাড়িতে চণ্ডী লাহিড়ী’র জন্ম হয়। ওনার বাবার নাম ছিল রোহিণীমোহন লাহিড়ী এবং মায়ের নাম প্রবোধবালা দেবী।। পিতা মোহিনীমোহন লাহিড়ী ছিলেন বর্ধমান জেলার চণ্ডীপুরের বাসিন্দা। প্রথমে নবদ্বীপ হিন্দু স্কুলে তাঁর পড়াশোনা শুরু হয়। নবদ্বীপ বিদ্যাসাগর কলেজ থেকে স্নাতক হন। পরে চলে আসেন কলকাতায়। কলকাতা
চল্লিশের দশকের মাঝামাঝি। ব্যান্ডেল-কাটোয়া রুটের লোকাল ট্রেনে কৌটো নাড়িয়ে ভিক্ষে করছেন জনাকয়েক ছাত্র। কারও কারও পরনে হাফপ্যান্টও। এমন সব ছেলেদের ভিক্ষে করতে দেখে কৌতুহলী যাত্রীরা জানতে চাইলেন, ‘‘ব্যাপার কী?’’চল্লিশের দশকের মাঝামাঝি। ব্যান্ডেল-কাটোয়া রুটের লোকাল ট্রেনে কৌটো নাড়িয়ে ভিক্ষে করছেন জনাকয়েক ছাত্র। কারও কারও পরনে হাফপ্যান্টও। এমন সব ছেলেদের ভিক্ষে করতে দেখে কৌতুহলী যাত্রীরা জানতে চাইলেন, ‘‘ব্যাপার কী?’’
ছোটখাট চেহারার ছেলেটি এগিয়ে এসে জবাব দিয়েছিল, ‘‘আমাদের কলেজের স্যারেরা বেতন পাচ্ছেন না। তাই স্যারেদের মাইনে তুলতেই পথে নেমেছি।’’ টাকা যে খুব বেশি উঠেছিল, এমন নয়। কিন্তু বিনা টিকিটের ছাত্রদের রাতভর কাটোয়া জিআরপি-র হেফাজতে কাটাতে হয়েছিল। এ খবর নবদ্বীপ বিদ্যাসাগর কলেজের অধ্যক্ষের কানে পৌঁছতে তিনি স্তম্ভিত হয়ে যান। খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, এ কর্মকাণ্ডের হোতা চণ্ডী। কোন চণ্ডী?
নবদ্বীপ বিদ্যাসাগর কলেজের অবসরপ্রাপ্ত
শিক্ষক নিমাই বন্দ্যোপাধ্যায় বলছেন, ‘‘তামাম বিশ্ব যাঁকে কার্টুনিস্ট
হিসাবে চেনেন, ইনি সেই চণ্ডী লাহিড়ী।’’ নিমাইবাবু জানাচ্ছেন, নবদ্বীপকে
ঘিরে চণ্ডীদার কর্মকাণ্ড তাঁর কার্টুনের মতোই বর্ণময়।
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলায় এমএ করেন। তত দিনে হাতে তুলে নিয়েছেন রং-তুলি। কিন্তু শহরে গেলেও নবদ্বীপের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ কখনও ফিকে হয়নি। নবদ্বীপের বিভিন্ন স্কুলের পত্র-পত্রিকায় স্মৃতিচারণে বহু বার তিনি লিখেছেন তাঁর নবদ্বীপ-কথা। কর্তৃপক্ষের অনুরোধে নবদ্বীপ হিন্দু স্কুলের শতবর্ষ, বিদ্যাসাগর কলেজের সুবর্ণ জয়ন্তী, বকুলতলা প্রাক্তনী রজত জয়ন্তী, সারস্বত মন্দিরের ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে প্রকাশিত স্মারক পত্রপত্রিকায় তিনি এঁকেছেন প্রচ্ছদ ও কার্টুন। সঙ্গে একটি নাতিদীর্ঘ লেখাও। সে সব ছবি ও আঁকা আজও যত্ন করে রেখে দিয়েছে নবদ্বীপ। মঠ-মন্দিরের শহরে সারস্বত মন্দির বহু পুরনো স্কুলগুলির অন্যতম। সে স্কুলের প্রধানশিক্ষক শচীন্দ্রমোহন নন্দীকে গুরু বলেই মানতেন চণ্ডীবাবু। ফলে হিন্দু স্কুলে পড়লেও সারস্বত মন্দিরের সঙ্গে তাঁর নিবিড় যোগাযোগ ছিল।
চণ্ডীবাবু লিখেছেন, ‘যারা লেখাপড়ায় ভাল, তাদের এই স্কুলে ভর্তি করা হত না। এটি ছিল উলট্পুরাণের দেশ। তুমি ভাল ছেলে। পাশ করে আইপিএস, আইসিএস, জজ, ম্যাজিস্ট্রেট হওয়ার লক্ষ্য যদি থাকে তবে অন্য স্কুলে যাও। এখানে একটু কম মেধার ছেলেদের নেওয়া হয়। কারণ, এই স্কুলটির লক্ষ্য ইংরেজদের সেবা করা নয়, দেশসেবক তৈরি করা।’ ২০০৯ সালে স্কুলের ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে সেই লেখার সঙ্গে তিনি একটি কার্টুনও আঁকেন।
নবদ্বীপ মণিমেলার কর্মকর্তা শান্তিরঞ্জন দেব বলছেন, ‘‘আগামী ১৫ মার্চ, চণ্ডীদার জন্মদিনে তাঁকে সম্মাননা জানানো হবে বলে ঠিক হয়েছিল। তিনি আসবেন বলে কথাও দিয়েছিলেন। এই প্রথম চণ্ডীদা কথা রাখতে পারলেন না।’’
সরোজ সরকার (জন্ম ১৯৫৭) পশ্চিমবঙ্গের বালুরঘাটের একজন বিশিষ্ট কলকাতা-ভিত্তিক শিল্পী,
বাংলার হারিয়ে যাওয়া শিল্পীদের নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে ব্লগে পোস্ট করে চলেছি , হারিয়ে যাওয়া পত্রিকার পাতায় শুধু নয় , প্রচুর হারিয়ে যাওয়া অগুন্তি কমিকস্ রয়েছে এখন ...হয়ত কারোর বাড়ির চিলেকোঠায় বা কোন পুরানো কাগজের গুদামে বা আমাদের মত কিছু কমিকস্ সংগ্রহকের কাছে । উদ্দেশ্য আগামী প্রজন্মের কাছে কিছু তথ্য প্রমান রেখে যাওয়া,কোন ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে নয় ।
আজ সেই রকম একটি হারিয়ে যাওয়া কমিকস্ থাকছে ।
'ধ্রুব রায়' 'পোলারিস' ছদ্মনামে পরিবর্তন পত্রিকায় 'নীল বানরের হাড়' ,'একচক্ষু জলদস্যু' , 'হীরামনের হাহাকার','দস্যু মোহন' , 'আবার মোহন' ইত্যাদি আর অনেক কমিকস্ অলংকরণ করে ছিলেন,কিশোর মন পত্রিকায় করেছিলেন কমিকস্ "আলম নগরের গুপ্তধন " ইত্যাদি
১৯৩০ সাল ।ঘৃণিত ব্রিটিশ রাজ শক্তির বিরুদ্ধে জেগে উঠেছে সারা ভারত,প্রত্যন্ত শহর চট্টগ্রামেও পৌঁছে গেল সেই ঢেউ । অগ্নিগর্ভ চট্টগ্রাম ।বিদ্রহের নায়ক মাস্টারদা সূর্য সেন । এই কাহিনী সেই চট্টগ্রাম যুব বিদ্রহের'ই এক ছোট্ট অধ্যায়। সময়-১৯৩২ সাল,স্থান - ধলঘাটের একটি বাড়ি !
আজ ১৯৭৯ সালের পুরানো একটি পূজা বার্ষিকী থেকে শিল্পী 'সৌমিত্র দাশগুপ্তের' একটি হারিয়ে যাওয়া কমিকস্ দিলাম ।
ইন্দ্রজাল কমিকস্ ২০১-২৫০,২৫১-৩০০ করার কাজ শেষ হোল , ও ০০১-৪২০ নং ইন্দ্রজাল কমিকস্ এর মধ্যে ০০১-০৫০,০৫১-১০০,১০৩-১৫০,১৫১-২০০,২০১-২৫০,২০৫১-৩০০ ও ৪০১-৪২০ লেবেলের সমস্ত কমিকস্ আপলোড করা হয়ে গেছে , এখন এই সমস্ত বই ডাউনলোড করতে পারবেন , যদি কোন কমিকস্ এর লিঙ্ক কাজ না করে তবে কমেন্ট করে জানাতে পারেন ।
৩০১-৪০০ প্রসেস করার কাজ চলছে......খুব তাড়াতাড়ি আপলোড করে দেবো ।আর ৩ টি খণ্ডর লিঙ্ক ডাউন সেগুলি আপলোড করা বাকি রইল ।
আজ বিখ্যাত শিল্পী শৈল চক্রবর্তীর করা বাংলাদেশের মুক্তি যুদ্ধর উপর একটি কমিকস্ থাকলো ।
শৈল চক্রবর্তীর জন্ম ব্রিটিশ ভারতের অধুনা পশ্চিমবঙ্গের হাওড়া জেলার আন্দুল মৌরিগ্রামে। পিতা উদয়নারায়ণ চক্রবর্তী ছিলেন আন্দুল হাইস্কুলের শিক্ষক। মাতার নাম রানি চক্রবর্তী। আন্দুল হাই স্কুল থেকে ম্যাট্রিক ও হাওড়ার নরসিংহ কলেজ থেকে গণিতে অনার্স সহ বি.এসসি পাশ করেন। কোন আর্ট স্কুল বা কলেজে ভর্তি না হয়ে নিজের চেষ্টায় শিল্পকলায় স্বশিক্ষিত হয়ে ওঠেন তিনি।
![]() |
|
জন্ম ৯ ফেব্রুয়ারি ১৯০৯ আন্দুল-মৌরিগ্রাম হাওড়া, পশ্চিমবঙ্গ মৃত্যু ১৪ অক্টোবর ১৯৮৯ (বয়স ৮০) |
পড়াশোনা শেষ করে বাড়িতে প্রসাধন তৈরির একটা ছোট কারখানা বানিয়ে সাবান,আলতা, সিঁদুর তৈরি করে বাড়ি-বাড়ি বিক্রি করতেন প্রথমদিকে। কিন্তু তার সে ব্যবসা চলেনি। কলেজে পড়ার সময় থেকে কলকাতার পত্রপত্রিকা এবং লেখক শিল্পীদের সাথে তার যোগাযোগ গড়ে উঠেছিল। বন্ধু হিসাবে পেয়েছিলেন পরিমল গোস্বামী, সমর দে এবং প্রমথ সমাদ্দারকে। তাঁদের সাহচর্যে 'সচিত্র ভারত','যষ্টি মধু','যুগান্তর' প্রভৃতি পত্রিকায় তার আঁকা চিত্র প্রকাশিত হয় এবং অল্পদিনের মধ্যেই রসিকজনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। দৈনিক বসুমতীর রবিবারের পাতায় শিবরাম চক্রবর্তীর কলম 'বাঁকা চোখে' তে তার কার্টুন ছিল পত্রিকার বড়ো আকর্ষণ। অমৃতবাজার, যুগান্তর, অমৃতবাজার, বসুমতী প্রভৃতি পত্রিকার সাময়িকী ও বিশেষ সংখ্যাগুলিতে দীর্ঘদিন ধরে ইলাসট্রেশনের কাজ করেছেন ফ্রিল্যান্সার হিসাবে। তিনিই একমাত্র শিল্পী যিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জীবদ্দশায় তার গল্পের - "ল্যাবরেটরি" র ইলাসট্রেশন করেন। ১৩৪৭ বঙ্গাব্দের শারদীয়া আনন্দবাজার পত্রিকায় সেটি প্রকাশিত হয়েছিল। রবীন্দ্রনাথের আর একটি গল্প ‘প্রগতি সংহার’-এরও ইলাসট্রেশন
'মানুষ এল কোথা থেকে'
'গাড়িঘোড়ার গল্প'
'ছোটদের ক্রাফ্ট'
তার রচিত গ্রন্থের সংখ্যা প্রায় পঁচিশ। উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলির হল -
'বেজায় হাসি’
‘চিন্তাশীল বাঘ’
‘ঘটোৎকচ বিজয়’
‘স্বর্গের সন্ধানে মানুষ’
‘কার্টুন’
‘কৌতুক’
‘যাদের বিয়ে হল’
‘যাদের বিয়ে হবে’
‘আজব বিজ্ঞান’
‘চিত্রে বুদ্ধজীবন কথা’
‘বেলুন রাজার দেশে’
'গল্পকথার দেশে'
‘কালোপাখি’
‘টুলটুলির দেশে’
‘কৃপণের পরিণাম’
শেষ বয়সে তিনি জল ও তেল রং কে নিয়ে পেন্টিংয়ের দিকে ঝুঁকেছিলেন এবং এই সময় তার বিষয় ছিল প্রকৃতি। ছবি নিয়ে বিদেশে গেছেন দুবার তার একক প্রদর্শনীর জন্য। ১৯৭৬ খ্রিস্টাব্দে ব্রাজিলের রিও-ডি-জেনেরো তে এবং ১৯৮৫ খ্রিস্টাব্দে আমেরিকার নিউ জার্সি তে।
ছোটদের ক্রাফট' বইটির জন্য শৈল চক্রবর্তী শিশু সাহিত্যে ভারত সরকারের রাষ্ট্রীয় পুরস্কার লাভ করেন।