ডঃ লুয়াগাকে আস্তে আস্তে খাবারের সাথে বিষ মিশিয়ে হত্যার চেষ্টা ব্যার্থ করে দিল বেতাল ,আজকের গল্পে থাকছে দুর্দান্ত এক কাহিনী ।
ছোটবেলায় এই বইটা এক বন্ধু আমাকে দিয়ে ছিল, পরে মনমালিন্য হওয়ায় আবার ফেরত নিয়ে নেয়, অনেক পরে এই বই টা পাই।
ময়ূখ
চৌধুরীর “ইতিহাসের
পলাতক” বই
টির মদ্ধে মোট ২ খণ্ডে দেওয়া কমিকস্ ও দুটি গল্প দেওয়া আছে, যথা ক্রমে পলাতক গুন্ডা
(একটি শূকরের কাহিনী) ও শেরউড বনের পলাতক (রবিন হুডের কাহিনী)। রবিন হুডের ব্যাপারে ও রাজা রিচার্ড এর ব্যাপারে
দু এক কথা না বল্লে না, দ্বাদশ শতাব্দীর শেষ ভাগে ইংল্যান্ড এ তখন বিজয়ী নরমান
জাতি গরিব স্যাক্সন জাতির উপর উৎপীড়ন করতো, সেই সময় সত্যি একজন স্যাক্সন যুবক এর
বিরুদ্ধে রুখে দাড়ায়। তাই দেখা যায় রবিন হুডের কাহিনী কোন একজন লেখকের লেখা না
,বহু লেখক লিখেছিলেন। এই গল্পটির শেষে দেখা যায় “লায়নহার্ট” রাজা
রিচার্ড ক্রুসেড থেকে ফেরার সময় শেরউড বনের মদ্ধ দিয়ে আসার সময় রবিন হুডের মুখো
মুখি হন......। রাজা রিচার্ড ছিলেন সত্যি সিংহ হৃদয় ,তিনি জাতিগত ভেদাভেদ মানতেন
না, ওনার ছিল বিশাল আকার চেহারা, উচ্চতা ছিল ৬ ফিট ২ ইঞ্চি। প্যালেস্টাইনে তখন ধর্ম যুদ্ধ চলছিলো খ্রিস্টান
ও মুসলমান রাজা সালাদিনের মদ্ধে, ইতিহাস বই তে আমরা এই ঘটনার উল্লেখ পাই। কিন্তু
আসল ঘটনা যানতে গেলে “স্যার
ওয়াল্টার স্কটের” দি
'ট্যাঁলিস ম্যান' বই টি পড়তেই হবে। আসলে সিরিয়া, প্যালেস্টাইনে যাযাবর দস্যু জাতিরা
খ্রিস্টান সাধুদের উপর অত্যাচার করতো, দোষ
পড়তো মহান রাজা সালাদিনের উপর,সেই সময় ইউরোপের রাজা রা মিলে ক্রুসেড করতে যান ও গো-হারা
হারেন, ও দিকে খ্রিস্টান শিবিরের মদ্ধে কোন দেশের পতাকা উড়বে তাই নিয়েও মনমালিন্য
শুরু হয়। রাজা রিচার্ড কালব্যাধি মরু জ্বর এ আক্রান্ত হন,
তখন স্বয়ং রাজা সালাদিন এসে ‘কবিরাজের’ ছদ্মবেশেরিচার্ডের
অশুখ সারিয়ে তোলেন, না হলে রিচার্ডের মৃত্যু ছিল নিশ্চিত। শেষে রাজা রিচার্ড ও সালাদিনের মদ্ধে
বন্ধুত্বর সম্পর্ক হয়ে যায়। “স্যার ওয়াল্টার স্কটের” দি ট্যাঁলিস ম্যান বই টি দেব সাহিত্য কুটীরের আনুবাদ সাহিত্য
সিরিজের অন্তর্গত। রবিন
হুড ছিল কি ছিল না সে তর্ক বৃথা, আপাতত গল্প রসে মজে যাওয়া যাক।
ম্যানড্রেকের সাথে সম্রাট ম্যাগনানের প্রথম সাক্ষাতের ঘটনা ,ছায়াপথের সুন্দরী প্রতিযোগিতা ও ম্যানড্রেকের সঙ্গে ইঁদুর মানুষদের আরও একটি সংঘর্ষের কাহিনী সাথে মৌমাছি রানীর অদ্ভুত গল্প আজকের বইতে পাবেন ।
একটি বিশাল প্রমদ তরী চলেছে মাঝ সমুদ্র দিয়ে ,সঙ্গে ১৫০০ যাত্রী ...কেবল রাতের প্রহরী রা কিছু সংখ্যক পাহারা দিচ্ছে , হটাত একদল মুখস পরা দস্যু জাহাজের দখল নিলো , প্রচুর পরিমানে সোনার গয়না ,টাকা লুঠ করে তুলে দিল একটি উড়ে আসা হেলিকপ্টারে ... এই অদ্ভুত ঘটনা বেতালের কানে গেল...তারপর ।