Tuesday, January 5, 2021

Post # 1012 Bengali Amarchitra Katha 117

                                                                      ডাউনলোড করুন

 

১১৬ নং কাদম্বরী বাংলায় প্রকাশিত হয়েছিল... বাংলা তালিকায় পাওয়া যায়... কিন্তু কোনদিন আমি দেখিনি... যেমন দেখিনি 'কপাল কুণ্ডলা', আম্রপলি ও উপগুপ্ত ইত্যাদি।। 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

ধ্রুব
হিন্দু পৌরাণিক চরিত্র। এঁর পিতার নাম উত্তানপাদ। উত্তানপাদের দুই স্ত্রীর মধ্যে প্রথমা স্ত্রী সুনীতির গর্ভে ধ্রুব আর দ্বিতীয়া স্ত্রী সুরুচির গর্ভে উত্তম নামক পুত্র জন্ম হয়। রাজা তাঁর দুই স্ত্রীর ভিতর সুরুচিকে সুনীতি অপেক্ষা বেশী ভাল বাসতেন। সুরুচির প্ররোচনায় তিনি সুনীতির প্রতি অন্যায় ব্যবহার করে তাঁকে বনবাস দেন। একদিন রাজা মৃগয়া করতে গিয়ে ঘটনাক্রমে পথ ভুলে সুনীতির নির্জন কুটীরে উপস্থিত হন এবং সেখানে সুনীতির সাথে মিলিত হলে ধ্রুব জন্মগ্রহণ করেন।

একদিন তাঁর সৎভাই উত্তম পিতার কোলে বসে ছিলেন। সেই সময়ে ধ্রুব রাজসভায় উপস্থিত হয়ে পিতার কোলে বসার ইচ্ছা করলে, বিমাতা সুরুচি ধ্রুবকে কটুবাক্যে অপমানিত করেন। ধ্রুব তাঁর মার কাছে গিয়ে এই অপমানের কথা বর্ণনা করলে, সুনীতি বললেন যে, একমাত্র হরিই দুঃখীদের দুঃখমোচন করতে পারেন। এরপর ধ্রুব হরির চিন্তা করা শুরু করেন।  একদিন গভীর রাতে তিনি মাকে ত্যাগ করে, হরির সন্ধানে বনে চলে যান এবং হরির সন্ধানে বনের ভিতর ঘুরতে থাকেন। হরির সন্ধানে ইনি পূর্বদিকে যেতে যেতে সাত জন মুনিকে দেখতে পান। তাঁদের কাছে ধ্রুব বললেন, আমি অর্থ বা রাজত্ব প্রার্থনা করি না। আমি এমন স্থান প্রার্থনা করি যা কেউ উপভোগ করে নি। ঋষিরা এর উত্তরে ধ্রুবকে বিষ্ণুর আরাধনা করতে বলেন। এরপর ধ্রুব বিষ্ণুর আরাধনায় গভীরভাবে মনোনিবেশ করেন। এই সময় ইন্দ্র ও অন্যান্য দেবতারা এই তপস্যায় ভীত হয়ে, নানা উপায়ে ধ্রুবের তপস্যা ভাঙার চেষ্টা করে বিফল হনা। অবশেষে তাঁরা বিষ্ণুরই শরণাপন্ন হলেন। বিষ্ণু দেবতাদের আশ্বাস দিয়ে ধ্রুবের কাছে এসে বললেন, আমিই হরি, তোমার তপস্যায় আমি প্রীত হয়েছি, তুমি বর গ্রহণ কর। ধ্রুব বললেন, আমি যেন আপনার স্তব করতে পারি, এই বর আমাকে দান করুন। বিষ্ণু বললেন তুমি পূর্বে এমন একটি স্থান প্রার্থনা করেছিলে যা কেউ উপভোগ করে নি। এরপর বিষ্ণু ধ্রুবর পরিচয় দিয়ে বলেন, তুমি আগে এক ব্রাহ্মণপুত্র ছিলে। তুমি এক রাজপুত্রের ঐশ্বর্য দেখে রাজপুত্র হতে চেয়েছিলে। তাই তুমি রাজা উত্তানপাদের গৃহে জন্মগ্রহণ করেছ এবং আমাকে আরাধনা করে এখন তুমি মুক্তি পেয়েছ। এরপর বিষ্ণু বললেন যে, তুমি সকল তারা ও গ্রহদের উপরে, তাদের আশ্রয়স্বরূপ হয়ে থাকবে। এই স্থানের নাম হবে ধ্রুবলোক। এরপর ধ্রুব পিতার রাজ্য লাভ করেন।
 
তিনি
শিশুমারের কন্যা ভ্রমিকে বিবাহ করেন। এঁদের পুত্রের নাম হলো  কল্প ও বৎসর। যথাসময়ে ধ্রুব দেহত্যাগ করলে বিষ্ণু প্রদত্ত ধ্রুবলোকে প্রস্থান করে নক্ষত্ররূপে প্রতিষ্ঠিত হন।


অষ্টবক্র মুনি -   ঋষি আরুণির এক আশ্রম ছিল। সেখানে বৈদিক পাঠ নিতেন তাঁর কন্যা সুজাতা। তপোবনের শিষ্যদের মাঝে একজন ছিলেন কাহোড়া। আরুণির সম্মতিতেই সুজাতার পাণিগ্রহন করেন ব্রাহ্মণপুত্র কাহোড়া।

বিয়ের পরে অন্তঃসত্ত্বা হলেন সুজাতা। মায়ের গর্ভে থাকতে থাকতেই বেদজ্ঞান লাভ করতে থাকেন সেই শিশু। একদিন একসঙ্গে স্তোত্রপাঠ করছিলেন সুজাতা-কাহোড়া। সংস্কৃত শব্দ উচ্চারণে ভুল করে ফেলেন কাহোড়া। মায়ের গর্ভ থেকে পিতার ভুল শুধরে দেন অনাগত শিশু।

এত স্পর্ধা ! কুপিত হলেন কহোড়া। অভিশাপ দিলেন। এই শিশু যখন ভূমিষ্ঠ হবে‚ তাঁর দেহে থাকবে মোট আটটি বক্র বা বাঁক।

যথাসময়ে জন্ম নিলেন সুজাতার পুত্রসন্তান। বিফলে যায়নি পিতার অভিশাপ। দেহটি মোট আটটি স্থানে বাঁকা ছিল। সেই থেকে তাঁর নামকরণ হয় অষ্টাবক্র। দুই মহাকাব্য রামায়ণ‚ মহাভারত ছাড়াও বিভিন্ন পুরাণে উল্লেখ আছে অষ্টাবক্র মুনির।

বাল্মীকি রামায়ণে বর্ণিত‚ রাজা দশরথ স্বর্গ থেকে ফিরে এসে পুত্র রামচন্দ্রকে শোনাচ্ছেন অষ্টাবক্র-কাহোড়া উপাখ্যান। অধ্যাত্ম রামায়ণে আছে‚ অরণ্যপর্বে এক কবন্ধ এসে রামলক্ষ্মণকে বলছেন‚ তিনি আসলে ছিলেন এক গন্ধর্বকুমার। অষ্টাবক্র মুনিকে দেখে হেসেছিলেন বলে অভিশপ্ত হন। পরে ক্রোধ প্রশমিত হলে অষ্টাবক্র বলেছিলেন ত্রেতা যুগে রামচন্দ্র এসে তাঁকে শাপমুক্ত করবেন। তাই তিনি রামচন্দ্রের আশীর্বাদ নিতে এসেছেন। যাতে শাপমুক্ত হয়ে আবার কবন্ধ থেকে গন্ধর্বকুমার হতে পারেন।

পুরাণে বলা হয়েছে‚ একবার রাজা জনকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গিয়েছিলেন অষ্টাবক্র মুনি। কিন্তু তাঁর আকার-আয়তন দেখে রাজা জনক প্রথমে বেশি গুরুত্ব দেননি। স্থির করেন সভাপণ্ডিত বন্দিনের সঙ্গে নবাগতর বাক-লড়াই দেখবেন। সেইমতো শুরু হল মৌখিক দ্বন্দ্ব। শেষ পর্যন্ত জয়ী হলেন অষ্টাবক্র মুনিই।

তাঁর রচনার মধ্যে সর্বাপেক্ষা উল্লেখযোগ্য হল অষ্টাবক্র গীতা। অর্থাৎ অষ্টাবক্রের সঙ্গীত বা গান। সেখানেও বিশদে আলোচিত হয়েছে আত্মন ও ব্রহ্মণের মধ্যের সম্পর্ক। প্রাসঙ্গিকভাবেই এসেছে দ্বৈত ও অদ্বৈতবাদ। এই গ্রন্থের আর এক নাম অষ্টাবক্র সংহিতা।




 

Monday, January 4, 2021

Post # 1011 Bengali Amarchitra Katha 115

                                               ডাউনলোড করুন

 পরীক্ষিৎ 

  পৌরাণিক মতে পরীক্ষিতের অভিষেকের বছর থেকে কলি যুগের সূচনা এবং সেই বছরেই ভগবান শ্রীকৃষ্ণ মর্ত ছেড়ে বৈকুণ্ঠে গমন করেন ।

 
হিন্দু পৌরাণিক কাহিনিতে এই নামে উল্লেখযোগ্য তিনটি চরিত্র পাওয়া যায়।

১. ঊর্ধ্বক্রমবাচকতা { | রাজা |  হিন্দু পৌরাণিক সত্তা | ভারতীয় পৌরাণিক সত্তা | পৌরাণিক সত্তা | কাল্পনিক সত্তা | কল্পনা | সৃজনশীলতা | কর্মক্ষমতা | জ্ঞান | মনস্তাত্ত্বিক ঘটনা | বিমূর্তন  | বিমূর্ত-সত্তা | সত্তা |}

১.১. ইনি চন্দ্র বংশীয় রাজা ছিলেন। তৃতীয় পাণ্ডব অর্জুনের পুত্র অভিমন্যুর  ঔরসে ও উত্তরার গর্ভে এঁর জন্ম হয়েছিল। কুরুক্ষেত্রে যুদ্ধের শেষে, অশ্বত্থামা পাণ্ডব নিধনের উদ্দেশ্যে ব্রহ্মশির অস্ত্র প্রয়োগ করেন। কৃষ্ণের নির্দেশে অর্জুনও প্রতিষেধক হিসাবে একই অস্ত্র প্রয়োগ করলে, উভয় অস্ত্রের কারণে পৃথিবী ধ্বংসের উপক্রম হয়। সে কারণে দেবর্ষি নারদ ও মহর্ষি কৃষ্ণ-দ্বৈপায়ন এই দুই অস্ত্রের মাঝখানে দাঁড়িয়ে উভয়ের অস্ত্র সংবরণ করতে বলেন। অর্জুন ব্রহ্মচর্য পালনের কারণে তাঁর অস্ত্র প্রতিহারে সমর্থ হলেও, অশ্বত্থামা সদা সৎপথে না থাকায় তিনি তাঁর অস্ত্র প্রত্যাহার করতে ব্যর্থ হন। ফলে উক্ত অস্ত্র উত্তরার গর্ভস্থ পরীক্ষিৎকে হত্যা করে। পরে কৃষ্ণ যোগবলে পরীক্ষিৎকে জীবিত করেন।
       
  [সূত্র: মহাভারত। সৌপ্তিক পর্ব্ব। চতুর্দশ-ষোড়শ অধ্যায়]

মহাভারতের মহাপ্রস্থানিক পর্বের প্রথম অধ্যায় থেকে জানা যায় যে, পাণ্ডবেরা মহাপ্রস্থানে যাবার সময় পরীক্ষিতের হাতে রাজ্যভার প্রদান করে যান।


একবার রাজা পরীক্ষিৎ মৃগয়ায় গিয়ে একটি হরিণকে বাণবিদ্ধ করে তার অনুসরণ করতে করতে গভীর বনে প্রবেশ করেন। এই বনে তখন শমীক নামক এক ঋষি মৌনব্রত অবলম্বনে ছিলেন। পরীক্ষিৎ এই মুনিকে হরিণটি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করে কোন উত্তর না পেয়ে, তাঁর গলায় একটি মৃত সাপ ঝুলিয়ে প্রাসাদে ফিরে আসেন। তপস্যারত মুনির পুত্র শৃঙ্গী এই বিষয় অবগত হয়ে অভিশাপ দেন যে, মৃগয়ার সাত দিনের মধ্যে তক্ষক  নামক নাগের দংশনে পরীক্ষিৎ মারা যাবেন।

শৃঙ্গী এই অভিশাপের কথা শমীক ঋষিকে জানালে, শমীক বলেন যে, এই অভিশাপ অত্যন্ত অন্যায় হয়েছে। কারণ রাজা জানতেন না যে, তিনি মৌনতা অবলম্বন করে আছেন। শৃঙ্গী এর উত্তরে জানান যে, এই অভিশাপ ফিরবে না। এরপর শমীক নিজ উদ্যোগে পরীক্ষিৎকে এই বিষয়টি জানান। পরীক্ষিৎ সকলের সাথে পরামর্শ করে, অতিদ্রুত একটি স্তম্ভের উপর একটি বাড়ি নির্মাণ করেন এবং স্তম্ভের চারদিকে লোক নিযুক্ত করেন। ষষ্ঠদিন অতিবাহিত হওয়ার পর বিষ চিকিৎসক কাশ্যপ পরীক্ষিৎকে রক্ষা করার জন্য হস্তিনাপুরে রওনা হন। পথে কাশ্যপের সাথে তক্ষকের সাক্ষাৎ হলে তক্ষক বলেন, তুমি কোন ক্রমেই রাজাকে বাঁচাতে পারবে না। ব্রাহ্মণ কৃতকার্যতার বিষয়ে দৃঢতা প্রকাশ করলে, পরীক্ষার্থে তক্ষক নিকটস্থ একটি বটগাছকে দংশন করেন। বিষের প্রভাবে বটগাছ জ্বলতে থাকলে, ব্রাক্ষণ স্বীয় বিদ্যাবলে গাছটিকে রক্ষা করলেন। এরপর তক্ষক ধনলোভী ব্রাহ্মণকে অর্থের প্রলোভন দেখিয়ে, তাঁকে হস্তিনাপুরে যেতে নিষেধ করেন। কাশ্যপ ধ্যানযোগে পরীক্ষিতের মৃত্যু অবধারিত জেনে হস্তিনাপুরে না গিয়ে তক্ষকের উপহার নিয়ে নিজ দেশে ফিরে যান।

তক্ষকের নির্দেশে তাঁর কয়েকজন অনুচর তপস্বীর বেশে বিভিন্ন প্রকারের ফল নিয়ে পরীক্ষিতের কাছে উপস্থিত হন। উক্ত ফলের একটিতে ইনি একটি তাম্রবর্ণের পোকা দেখতে পান। এরপর পরীক্ষিৎ শৃঙ্গীর বাক্যই সত্য হোক, এই কীটই তক্ষক হয়ে দংশন করুক বলে, কীটটি তুলে তাঁর কণ্ঠের উপর স্থাপন করেন। এরপর তক্ষক নিজ রূপ ধারণ করে পরীক্ষিৎকে দংশন করেন। এর ফলে পরীক্ষিতের মৃত্যু হয়।
             [সূত্র: মহাভারত। আদিপর্ব। ৪০-৪৪ অধ্যায়]


পরীক্ষিতের স্ত্রীর নাম ছিল মাদ্রবতী। মাদ্রবতীর গর্ভে পরীক্ষিতের জনমেজয় শ্রুতসেন উগ্রসেন ও ভীমসেন নামে চারটি পুত্র জন্মে। পরীক্ষিতের যখন মৃত্যু হয়, তখন তাঁর পুত্ররা শিশু ছিলেন। এই অবস্থায় রাজ্যের মন্ত্রীবৃন্দ রাজপুরোহিতবৃন্দ এবং প্রজারা জনমেজয়কে রাজা মনোনীত করেন।

১.২.জনৈক ইক্ষ্বাকু বংশের রাজা। ইনি একবার হরিণ শিকারে গিয়ে অত্যন্ত তৃষ্ণার্ত হয়ে পড়েন। জল পানের জন্য ইনি নিকটস্থ একটি সরোবরের কাছে যান। এই সময় এঁর সাথে একটি সুন্দরী কন্যার দেখা হয়। ইনি এই কন্যাকে দেখে অত্যন্ত মুগ্ধ হন এবং তাঁর কাছে বিবাহের প্রস্তাব দেন। উত্তরে এই কন্যা বলেন যে, আমাকে বিবাহ করার পর কখনও জল দেখালে, তিনি অন্য কোথাও চলে যাবেন
। পরীক্ষিৎ এই শর্তে তাঁকে বিবাহ করেন এবং নববধূকে রাজধানীতে নিয়ে আসেন।

এরপর রাজার আদেশে একটি বিশাল উদ্যান তৈরি করা হয় এবং রাজপুরীর পুকুরের পাড় জুড়ে বেড়া দিয়ে ঘিরে দেওয়া হয়। একদিন রানীকে নিয়ে ঘুরতে ঘুরতে রাজা উক্ত পুকুরের পারে আসেন এবং নিজের প্রতিশ্রুতির কথা ভুলে, রানীকে পানিতে নামার অনুরোধ করলেন। রানী পুকুরে নেমে আর উঠলেন না। তখন রাজা পুকুরের সকল পানি সেঁচে ফেলে দিলেন, কিন্তু মণ্ডূক (ব্যাঙ) ছাড়া আর কিছু দেখতে পেলেন না। ইনি রাগে সকল মণ্ডূক হত্যা করার আদেশ দিলে, মণ্ডূক রাজা ঋষির বেশে এসে অকারণে মণ্ডূক হত্যা করতে নিষেধ করলেন। রাজা বললেন যে, মণ্ডূকরা তাঁর রানীকে হত্যা করেছে। উত্তরে মণ্ডূকরাজ বললেন, উক্ত কন্যার নাম সুশোভনা এবং সে তাঁরই (মণ্ডূকরাজের) কন্যা। এই কন্যা অত্যন্ত মন্দ স্বভাবের। ইতিপূর্বে এইভাবে সে অনেক রাজাকে প্রতারিত করেছে। এরপর পরীক্ষিতের অনুরোধে মণ্ডূকরাজ তাঁর কন্যাকে রাজার হাতে ফিরিয়ে দিলেন। কিন্তু সেই সাথে নিরীহ মণ্ডূকদের হত্যার জন্য অভিশাপ দেন যে, তাঁর বংশজাত পুত্ররা ব্রাহ্মণ হত্যাকারী হবে।

১.৩. অনশ্বার ঔরসে অমৃতার গর্ভে ইনি জন্মগ্রহণ করেন। এঁর স্ত্রীর নাম ছিল সুযশা। এঁদের পুত্রের নাম ছিল ভীমসেন।

 

তথ্য সূত্র       http://onushilon.org/myth/hindu/





 

Sunday, January 3, 2021

Post # 1010 Bengali Amarchitra Katha 108

                                                                      ডাউনলোড করুন




প্রাতিষ্ঠানিক উপাধি কী ভাবে একজন ব্যক্তির ব্যক্তিত্বের সঙ্গে একাত্ম হয়ে যেতে পারে, তার উদাহরণ ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়। অবশ্য তিনি ‘বন্দ্যোপাধ্যায়’-এর জায়গায় ‘শর্ম্মা’ বা ‘শর্ম্মণঃ’ লিখতেন। তাঁর ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধি শুধু তাঁর কৌলিক উপাধিই শুধু নয়, নামটিকে পর্যন্ত অপ্রয়োজনীয় করে তুলেছে। 

মাইকেল মধুসূদন দত্ত তাঁর গুণমুগ্ধবন্ধুকে নিয়ে যে সকল চিঠি লিখেছিলেন তা শুধু মুগ্ধতাই বয়ে আনে না, বহুরূপী ঈশ্বরচন্দ্রকে খুঁজে পাওয়া যায় সেখানে। সেখানেই ঈশ্বরচন্দ্রের বিদ্যাসাগর হওয়ার পাশাপাশি ‘করুণাসাগর’ হওয়ার হদিস মেলে। তবে আম বাঙালির ‘দয়ার সাগর’ বিশেষণে সুবাসিত হলেও তা বিদ্যাসাগরের মতো তা বিশেষ্য হতে পারেনি। 

মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘চতুর্দশপদী কবিতাবলী’র (১৮৬৬) দু’টি সনেট ঈশ্বরচন্দ্রকে নিয়ে লেখা। প্রথমটিতে (‘বঙ্গদেশে এক মান্য বন্ধুর উপলক্ষে’) যাও-বা উহ্য ছিল, পরেরটিতে (‘ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর’) তা শিরোনামে প্রকট হয়ে উঠেছে। মধু কবির মূল্যায়নেই ঈশ্বরচন্দ্রের বহুমুখী পরিচয়ের নিদান বর্তমান। ‘সমকালের সেরা ব্যক্তি’, ‘শ্রেষ্ঠ বাঙালি’, ‘প্রাচীন মুনিঋষির মতো প্রজ্ঞা ও জ্ঞান’, ‘ইংরেজের মননশক্তি ও বাঙালি নারীর হৃদয়ের সমন্বয়’ প্রভৃতির মধ্যে ঈশ্বরচন্দ্রের বহুধা ব্যাপ্ত ব্যক্তিত্বের পরিচয় উঠে এলেও সবগুলিই সমুদ্রগামী নদীর মতো বিদ্যাসাগরে মিলিত হয়েছে। 

১৮৭৮ খ্রিস্টাব্দে বীরশালিঙ্গম পান্তলু ‘সোসাইটি ফর সোশ্যাল রিফর্ম’ গড়ে তুলে তেলুগুভাষী অঞ্চলে বিধবা বিবাহের জন্য আন্দোলন ছড়িয়ে দিয়েছিলেন। এ জন্য তাঁকে ‘দক্ষিণ ভারতের বিদ্যাসাগর’ বলে অভিহিত করা হয়। সে দিক থেকেও ঈশ্বরচন্দ্রকে পিছনে ফেলে বিদ্যাসাগরের খ্যাতি প্রশস্ত হয়ে ওঠে। 

তাঁর বিদ্যাসাগরীয় পরিচয় সম্পর্কে ঈশ্বরচন্দ্র শুধু আত্মসচেতনই ছিলেন না, তাকে মান্যতা দিয়েই জীবনের উপান্তে এসে আত্মজীবনী শুরু করেছিলেন ‘বিদ্যাসাগর চরিত’ (১৮৯১)। তার সূচনাবাক্যে ঈশ্বরচন্দ্র লিখেছেন, ‘শকাব্দঃ ১৭৪২, ১২ আশ্বিন, মঙ্গলবার, দিবা দ্বিপ্রহরের সময়, বীরসিংহগ্রামে আমার জন্ম হয়।’ অবশ্য তখনও বিদ্যাসাগরের জন্ম হয়নি। তার জন্য ১৯ বছর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়েছিল। ১৮৩৯-এ সংস্কৃত কলেজে পড়ার সময় হিন্দু ল কমিটির পরীক্ষায় সাফল্যের মাধ্যমে তাঁর বিদ্যাসাগরে নবজন্ম লাভ হয়। 

অন্য দিকে, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঈশ্বরচন্দ্রের মৃত্যুর পরে ‘বিদ্যাসাগর চরিত’ নামেই যে দু’টি প্রবন্ধ লিখেছেন, তাতেও ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরে বিলীন হয়ে পড়েন। অবশ্য সেখানে রবীন্দ্রনাথ ঈশ্বরচন্দ্রের চরিত্রের মধ্যে দয়া ও বিদ্যার পরিবর্তে ‘অজেয় পৌরুষ’ ও ‘অক্ষয় মনুষ্যত্ব’কে প্রধান গৌরব বলে অভিহিত করেছেন। 

ঈশ্বরচন্দ্র মূলত সংস্কৃত সাহিত্য ও দর্শনের অসামান্য দক্ষতা প্রদর্শনের মাধ্যমে বিদ্যাসাগরের প্রশংসা পত্র পেয়েছিলেন। সংস্কৃত কলেজ থেকে পাশ করার অব্যবহিত পরিসরে মাত্র একুশ বছর বয়সে যখন তিনি ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে অধ্যাপনার জীবন শুরু করেন, তখনও তাঁর ভাল করে ইংরেজি শেখাই হয়নি। বন্ধুবর আনন্দকৃষ্ণ বসুর কাছে তিনি ইংরেজি শিখেছিলেন। সংস্কৃতে তাঁর অসামান্য অধিকার যেমন তাঁকে শাস্ত্রীয় পরিসরে বিধবাবিবাহ থেকে বাল্যবিবাহ বা বহুবিবাহের আয়ুধ সংগ্রহে সাহায্য করেছিল, তেমনই ভাল ভাবে ইংরেজি জানার দৌলতে শিক্ষাবিস্তারের পথ সুগম হয়ে উঠেছিল। অন্য দিকে, ঈশ্বরচন্দ্র অঙ্কও শিখতে চেয়েছিলেন। পরে অবশ্য তিনি সেই চেষ্টা থামিয়ে দেন। তাহলে বলা যেতে পারে, জ্ঞানী হিসাবে তাঁর পরিসর সুবিস্তৃত হয়নি। ঈশ্বরচন্দ্র তাঁর জ্ঞানের চেয়ে কাণ্ডজ্ঞানে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিলেন। তাঁর পাঠ্যপুস্তক প্রণয়ন, শিক্ষাবিস্তার থেকে সমাজসংস্কার সবেতেই সেই কাণ্ডজ্ঞানের পরিচয় বর্তমান। 

বিধবা বিবাহ প্রবর্তনে (১৮৫৬) সমাজ সংস্কারকের ভূমিকায় আলোড়ন সৃষ্টিকারী সাফল্য তাঁকে যে বিপুল জনপ্রিয়তা প্রদান করে, তাতে তাঁর বিদ্যাসাগরীয় পরিচয় আরও তীব্র আবেদনক্ষম হয়ে ওঠে। ঈশ্বরচন্দ্র বিধবাবিবাহ প্রবর্তনের জন্য সর্ব ভারতীয় পরিচিতি লাভ করেন। উনিশ শতকে তাঁকে নিয়ে গান বাঁধা হয়েছিল। শান্তিপুরের তাঁতিদের কাপড়ে বিদ্যাসাগর নাম উঠে এসেছে। একপলক দেখার জন্য উদ্গ্রীব জনতা রাস্তার দু’ধারে দাঁড়িয়ে থেকেছে। অথচ তাঁকে দেখে নিরাশ হয়েছে। দৃষ্টিনন্দনযোগ্য চেহারা তাঁর ছিল না। 

আসলে মূর্তিকে প্রতিমা গড়ে তোলাতে ঈশ্বরচন্দ্র ছিলেন বিমুখ। এ জন্য রেলি ব্রাদার্সের একখানি কাপড়কে ফেঁড়ে একখণ্ড পরতেন আর একখণ্ড গায়ে দিতেন। পায়ে থাকত দেশি মুচির শুঁড়তোলা চটিজুতো। শুধু তাই নয়, তাঁর সামনের চুল অবাঙালিসুলভ ছাঁটা। 

রামমোহন রায় ১৮২৯-এ সতীদাহ প্রথা রদ করে যে সংস্কারের সূচনা করেছিলেন, ঈশ্বরচন্দ্র তার পরিসমাপ্তির দায়ভার নিজের কাঁধেই নিয়েছিলেন। সতীদাহ রোধে জীবন বাঁচলেও মনে আর মানে বাঁচা দায় হয়ে উঠেছিল বিধবাদের। সে ক্ষেত্রে, ঈশ্বরচন্দ্র বিধবা বিবাহ প্রবর্তনে সেই বিধবাদের চোখের জল মোচনেই সীমাবদ্ধ থাকেননি, তাঁদের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য বহুবিবাহ রোধ থেকে বাল্যবিবাহের প্রতিরোধেও শামিল হয়েছিলেন। শুধু তাই নয়, নারীশিক্ষার বিস্তারের মাধ্যমে মেয়েদের স্বনির্ভর করে তোলা ছিল তাঁর অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য। 

ঈশ্বরচন্দ্রের লক্ষ্যেই ছিল দেশের মানুষের সার্বিক প্রগতি। স্বেচ্ছায় পারিবারিক জীবন থেকে বঞ্চিত হয়ে ক্রমশ আত্মীয়পরিজনহীন নিঃসঙ্গতার মধ্যেও আজীবন জনবিচ্ছিন্ন হননি। মানসিক আঘাতে ক্ষতবিক্ষত হয়ে তিক্ততাবোধে তাঁর জীবনের সেরা কাজ বিধবা বিবাহ প্রবর্তনের জন্য একবার সখেদে বিরূপ মনোভাব ব্যক্ত করেছিলেন মাত্র, কিন্তু তা থেকে সরে থাকেননি। স্বনামধন্য সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ের পিতা দুর্গাচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় ঈশ্বরচন্দ্রের সুহৃদ ছিলেন। বারবার প্রতারিত হওয়ার পরে সেই পরম সুহৃদকে তিনি লিখেছিলেন, ‘আমাদের দেশের লোক এত অসার ও অপদার্থ বলিয়া পূর্বে জানিলে আমি কখনই বিধবাবিবাহ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করিতাম না।’ 

বলা বাহুল্য, ঈশ্বরচন্দ্র সেই নিঃসঙ্গ জীবনের অন্তিম পর্যায়ে কলকাতা ছেড়ে সুদূর কার্মাটাড়ে গিয়েও তাঁর স্বধর্মে সক্রিয় থেকেছেন। তাঁর প্রত্যাশাহীন দানধ্যান নিয়ে উপকার করলে অপকার পাওয়ার কিংবদন্তী ছড়িয়ে পড়েছে। অথচ সেই ‘অসার ও অপদার্থ’ লোকজনের প্রতি তার পরেও অবিচল ভাবে সক্রিয় থেকেছে তাঁর সাহায্যের হাত। অন্য দিকে, ঈশ্বরচন্দ্র জানতেন সাগরের জলের মতোই বিরূপ সমালোচনাও স্বাভাবিক, কিন্ত সেটাই সব নয়। তা পানের অযোগ্য হলেও তাই আবার বাষ্পায়িত হয়ে পানীয় জলের উৎস হয়ে ওঠে, দাহিত হয়ে লবণ নিষ্কাশন করে। তিনি যে যথার্থই বিদ্যাসাগর। সে দিক থেকে বিদ্যাশিক্ষায় ঈশ্বরচন্দ্র যে সর্বশ্রেষ্ঠ শিক্ষিতের অবিকল্প প্রতিভূ, তা তাঁর বিদ্যাসাগরেই প্রতীয়মান।








 

Saturday, January 2, 2021

Post # 1009 Bengali Amarchitra Katha 101

                                                                         ডাউনলোড করুন

 

রামায়ন ও মহাভারত দুটি মহাকাব্য, অমরচিত্র কথায় এই দুটি মহাকাব্য থেকে প্রচুর কমিকস্‌ রয়েছে... বিশ্বাস করা না করা সম্পূর্ণ পাঠকের ব্যাক্তিগত ব্যাপার...

রামায়ণের পুস্তক কিষকিনধা কান্ডের ৬৬ টি অধ্যায়ের মধ্যে ৫-২৬ অধ্যায়  পর্যন্ত বালির বর্ণনা করা হয়েছে। বলি সুগ্রীবের দাদা এবং কিষকিনধার রাজা ছিল। এক বিশেষ বরদানের জন্য বলি যার সাথেই লড়াই করতো তার অর্ধেক শক্তি বালির কাছে চলে আসতো। ফলে শত্রু দুর্বল হয়ে হারের সম্মুখীন হতো। এই বিশেষ শক্তির কারণে বালি ১০০০ হাতির শক্তি সম্পন্ন দুদম্ভী নামক অসুরের বধ করেছিল। দুদম্ভীর পর বালি দুদম্ভীর ভাই মায়াবী নামক অসুরের বধ করেছিল। এই ঘটনার পর থেকে বলি ও সুগ্রীবের মধ্যে শত্রুতা তৈরি হয়েছিল। অদ্ভুত শক্তি থাকার কারণে বনরাজ বালির সাথে দেব,দানব, মানব কেউ যুদ্ধ করারসাহসপেত না।

কিন্তু একবার বনরাজ বালি ও মহাবলী হনুমান মুখোমুখি হয়েছিলেন। আসলে বালি একবার পরম শিবভক্ত রাবনকে হারিয়ে প্রচন্ড খ্যাতি অর্জন করেছিল। সেই থেকে বালির মধ্যে প্রচন্ড অহংকার উৎপন্ন হয়েছিল। অহংকারে সে এদিক ওদিক লোকজনকে যুদ্ধের জন্য হুঙ্কার দিত। একবার বনের মধ্যে বালি চিৎকার করছিল  এবং বলছিল কার সাহস আছে আমার সাথে যুদ্ধ করার সামনে আয়।

সেই সময় মহাবলী হনুমান ওই বনের মধ্যে তপস্যা করছিলেন। বালির চিৎকারে মহাবলী হনুমানের তপস্যায় ব্যাঘাত ঘটে। হনুমান, বালিকে বলেন – “হে বানররাজ (প্রসঙ্গত, বানর শব্দের অর্থ যে নর বনে বাস করেন, বানর ও বাঁদর সম্পূর্ণ আলাদা) আপনি অতি বলশালী আপনাকে কেউ হারাতে পারবে না। কিন্তু আপনি এমনবাবে চিৎকার কেন করছেন?” মহাবলী হনুমানের এই প্রশ্নে অহংকারী বালি রেগে গিয়ে যুদ্ধের জন্য হুঙ্কার দেয়। বালি বলেন, হনুমান তুমি তো দূর তোমার ভগবান রাম এলেও আমাকে হারাতে পারবে না

বনরাজ বালি ভগবান রামের মজা উড়ানোর কারণে মহাবলী হনুমান ক্রোধিত হয়ে উঠেন। মহাবলী হনুমান, বালির হুঙ্কার স্বীকার করে নেয় এবং সিদ্ধান্ত হয় যে পরের দিন যুদ্ধ হবে। পরের দিন সকালে মহাবলী হনুমান যুদ্ধের জন্য বেরোচ্ছিল সেই সময় ব্রহ্মা দেব প্রকট হয়ে যুদ্ধ না করার জন্য অনুরোধ করেন। মহাবলী হনুমান বলেন, “বলি আমার প্রভু শ্রী রামের মজা উড়িয়েছে। আমি যদি বালিকে শিক্ষা না দি তাহলে সমাজ কি বলবে?” ব্রহ্মা দেব, মহাবলী হনুমানকে বলেন ঠিক আছে আপনি যুদ্ধে যান কিন্তু আপনার শক্তির ১০% নিয়ে যান। যুদ্ধ থেকে ফিরে এসে বাকি শক্তি অর্জন করে নেবেন। এই শর্তে মহাবলী হনুমান রাজি হয়ে যান এবং সেই মতো নিজের শক্তির ১০% নিজে যুদ্ধে যান।

বালি ও হনুমানের যুদ্ধ শুরু হতেই বালির অদ্ভুত শক্তির কারণে মহাবলী হনুমানের অর্ধেক শক্তি বালির দেহে যেতে থাকে। এর ফলে বালির শরীরে উথাল পাতাল ঘটতে শুরু হয়। বালির মনে হলো যেন শক্তির কোনো সমুদ্র তার মধ্যে প্রবেশ করছে। বালি, মহাবলী হনুমানের শক্তিকে নিয়ন্ত্রণ করতে অসমর্থ হয়ে পড়ে। বালি মনে করে যে তার শরীর ফেটে পড়বে এবং ধমনী ছিঁড়ে যাবে। সেই মুহূর্তে ব্রহ্মা দেব প্রকট হয়ে বলেন, বালি আপনি নিজেকে সবথেকে শক্তিশালী মনে করেন। কিন্তু আপনার শরীর হনুমানের সামান্য কিছু শক্তিও সামলাতে পারছে না। ব্রহ্মা দেব বলেন, যদি নিজেকে বাঁচাতে চাও তাহলে হনুমানের সামনে থেকে পালাও। বালি ঠিক তাই করে, সে হনুমানের ক্রোধ থেকে নিজেকে রক্ষা করতে পলায়ন করে। বালি নিজের ভুল বুঝতে পেরে দূর থেকে মহাবলী হনুমানের কাছে ক্ষমা চাইলেন ।

তথ্য সূত্র   https://bangla.indiarag.com 


                                                 সংখ্যা ১০০ , বাংলায় দেখিনি আমি ।






 

Friday, January 1, 2021

Post # 1008 Bengali Amarchitra Katha 099

                                                                           ডাউনলোড করুন

 

 অনেকদিন পরে আবার ব্লগে ... অনেক গুলি কাজ নিয়ে ব্যাস্ত থাকায় এই বিলম্ভ, চাঁদ মামা পত্রিকা নিয়ে একটি সুখবর  পাবেন খুব তাড়াতাড়ি .।চাঁদ মামার উপন্যাস ও গল্প সমগ্র প্রকাশিত করবার একটি প্রচেষ্টা চলছে...নতুন বছরে সকলে ভালো থাকুন ।

রাজ সিংহ উপন্যাস সম্পর্কে নতুন করে কিছু বলার নেই...এটি একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস। প্রথম প্রকাশ বঙ্গদর্শন পত্রিকায় (চৈত্র, ১২৮৪ – ভাদ্র, ১২৮৫)। পত্রিকায় অসমাপ্ত উপন্যাসটি সমাপ্ত করে ১৮৮২ সালে ৮৩ পৃষ্ঠার প্রথম সংস্করণ প্রকাশিত হয়। দ্বিতীয় সংস্করণে পৃষ্ঠাসংখ্যা বেড়ে হয় ৯০। ১৮৯৩ খ্রিস্টাব্দে চতুর্থ সংস্করণে পৃষ্ঠাসংখ্যা হয় ৪৩৪।

 

 নতুন বছরে নতুন করে পোস্ট করা চালু হোল...


 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

ইন্দ্রজাল কি কি  পি ডি এফ করা হোল দেখে নেওয়া যাক ।০০১-১০০ মধ্যে বাকি কিছুর লিংক ডাউন করা আছে এবং কাজ চলছে ।