Monday, November 8, 2021

Post # 1059 Bengali Amarchitra Katha 242

                                                                            ডাউনলোড করুন                                                    
বিষ্ণুশর্মা এক রাজপুত্রদের লেখাপড়াকে সহজ করার উদ্দেশ্যে মিত্রভেদ, মিত্রপ্রাপ্তি, কাকোলুকীয়, লব্ধ-প্রণাশ ও অপরীক্ষিতকারক নামে পাঁচটি উপদেশমূলক পুস্তক রচনা করেছিলেন, যেগুলোর সম্মিলিত নাম পঞ্চতন্ত্র। .

 

ব রচিত গল্প সাহিত্য পঞ্চতন্ত্র টীকা


সূচনা:-

সংস্কৃত সাহিত্যের বিশাল রত্নভাণ্ডারে গল্প সাহিত্যের একটি বিশেষ স্থান আছে। মানুষের গল্প শুনবার সহজাত প্রবৃত্তি হতে গল্প সাহিত্যের উদ্ভব। এই সংস্কৃত সাহিত্যের মধ্যে প্রধান অগ্রগণ্য হলেন পন্ডিত বিষ্ণুশর্মা। তিনি গল্প সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ সম্পদ পঞ্চতন্ত্র রচনা করেন।

বিষ্ণুশর্মার পরিচয়:-

বিষ্ণুশর্মা জন্ম ও বংশ পরিচয় জানা সম্ভব হয়নি। সমালোচকদের মত অনুযায়ী তিনি কাশ্মীরের ব্রাহ্মণ ছিলেন। পাশ্চাত‍্য পন্ডিত কিথ- এর মতে বিষ্ণুশর্মা বৈষ্ণব ধর্মাবলম্বী ছিলেন।

বিষ্ণুশর্মার আবির্ভাবকাল:-

বিষ্ণুশর্মার আবির্ভাব কাল সম্পর্কে সঠিক কোনো তথ্য নেই। তবে পণ্ডিতগণ মনে করেন তিনি খ্রিস্টীয় দ্বিতীয় শতকে বর্তমান ছিলেন।

পঞ্চতন্ত্র রচনার কারন:-

পঞ্চতন্ত্রের কথা মুখসূত্রে জানা যায় দাক্ষিণাত্যের মহিলারোপ‍্য নগরের রাজা অমরশক্তির তিন জড় বুদ্ধিসম্পন্ন পুত্রদের বিদ্যা শিক্ষাদানের উদ্দেশ্য বিষ্ণুশর্মা গ্রন্থটি রচনা করেন।

পঞ্চতন্ত্রের উৎস:-

সাধারণত গল্প সাহিত্যের উৎস বেদ-পুরাণ উপনিষদ,রামায়ণ –মহাভারত। সুতরাং বিষ্ণুশর্মা পঞ্চতন্ত্র রচনাকালে এগুলির কাছে ঋণী। তবে গ্রন্থটির মূল উৎস বৃহৎকথা।

পঞ্চতন্ত্রের মূল‍্যায়ণ:-

পাঁচটি তন্ত্রে রচিত বলে গ্রন্থটির নাম পঞ্চতন্ত্র। পাঁচটি তন্ত্র হল-মিত্রভেদ,মিত্রপ্রাপ্তি,কাকোলূকীয়ম্,লব্ধপ্রণাশ,অপরিক্ষিতকারকম্। প্রতি তন্ত্রে একটি মূল গল্পের সাথে অনেকগুলো ছোট ছোট গল্প সংযুক্ত হয়েছে। গল্পগুলি বৈচিত্র্যপূর্ণ ও সহজ-সরল ভাষায় রচিত।

উপসংহার:-

বিষ্ণুশর্মা শিক্ষাদানের উদ্দেশ্যে গ্রন্থটি রচনা করলেও তিনি একজন মহান শিল্পি। বিষ্ণুশর্মার বড়ো কৃতিত্ব হলো মানুষের মনের ভাব পশুপাখির অন্তরে স্থাপন করে তাদের মুখে হাসি ফুটিয়েছে। এই গ্রন্থটি বাইবেলের পরে সবচেয়ে বেশি ভাষায় অনুদিত। সুতরাং পরিশেষে বলা যায়, নীতি শিক্ষার ক্ষেত্রে সহজ ও সরল গ্রন্থ সত্যি দুর্লভ।

তথ্য সূত্র ; https://modernsanskrit.com/

 





 

Friday, November 5, 2021

Post # 1058 Bengali Amarchitra Katha 240

                                                                     ডাউনলোড করুন

 

 

 জনসাধারনের নৈতিক ও আধ্যাত্মিক উন্নতি সাধনের জন্য জৈন সন্ন্যাসীগন যথেষ্ট আগ্রহ দেখিয়েছেন , তাঁদের সহজ সরল ধর্মীয় মতবাদ অজ্ঞ লোকেদের কাছে বোধগম্য ও আকর্ষণীয় করে তুলতে তাঁরা বিভিন্নি গল্প -গাথা কেই অবলম্ভন করেছেন । আমরা সংস্কৃত ভাষায় ও প্রাকৃত ভাষায় এ ধরনের হাজার হাজার শিক্ষামূলক গল্পের সন্ধান পাই ।

''বর্ধমান- দেশন'' গ্রন্থ থেকে গৃহীত সহস্রমল্লের গল্পটি থেকে এই সিদ্ধান্তেরই উপনীত হওয়া যায় যে , মানুষ নিজেই নিজের ভাগ্যের নিরামক ।সে যা হতে ইচ্ছা করবে তাই হতে পারবে । সে নিজের ইচ্ছা অনুসারে নিজেকে গড়ে তুলতে পারে ।

 



 

Tuesday, November 2, 2021

Post # 1057 Bengali Amarchitra Katha 214

                                                                        ডাউনলোড করুন


পাণ্ডবদের অজ্ঞাতবাসের সময়ে হনুমান এক অসুস্থ এবং বৃদ্ধ বানরের বেশে ভীমকে দেখা দেন। ভীম ছিলেন অসম্ভব আত্মগর্বী। তাঁকে শিক্ষা দেওয়াই ছিল বজরং বলীর উদ্দেশ্য। ভীমের পথ রুদ্ধ করে অসুস্থ বৃদ্ধের ছদ্মবেশে হনুমান শুয়ে ছিলেন।

# এই বানর আর অন্য কেউ ছিলেন না, ইনি ছিলেন শ্রীরামচন্দ্রের সর্বোত্তম ভক্ত, মহাবলী হনুমান! নিজের যাবার পথে এরকম ভাবে একটা বানরের লেজ পড়ে থাকতে দেখে, ভীম মনে মনে ভাবলো, "আমি মহাবলবান! অথচ আমার চলার পথের উপর এই তুচ্ছ বানরের লেজ পড়ে আছে যা কিনা আমাকে পার করতে হবে!'

# এতে ভীমের খুব অহংকার হলো! একটা তুচ্ছ বানরের লেজ পড়ে থাকবে মহাবলী ভীমের পথে? এই ব্যপার তার ব্যক্তিত্তে খুব আঘাত করলো! ভীম হুংকার দিয়ে তাঁকে বললো, "ওহে বানর, আমার পথ ছেড়ে দাও! তোমার এই তুচ্ছ লেজ আমার পথের উপর থেকে সরিয়ে নাও।"

# হনুমান উত্তরে তাকে বললেন, "দেখো, আমি বৃদ্ধ হয়ে গেছি! তাই এখানে শুয়ে বিশ্রাম করছি। লেজ আর কিভাবেই বা সরাবো তুমিই বলো? বার্ধক্যগ্রস্থ প্রাণী কি আর সেই শক্তি রাখে? তুমিই বরং লেজটা এক পাশে সরিয়ে রেখে তোমার পথে তুমি চলে যাও।"

# ভীম ভাবলো, 'এটা তো সামান্য একটা লেজ!' এই ভেবে সে এক হাত দিয়েই লেজটাকে ধরে উঠাতে গেলো। কিন্তু অবাক করার কাণ্ড! সে লেজটাকে এক চুল পর্যন্ত নাড়াতে পারলো না। তারপর সে তার দুই হাত দিয়ে, সমস্ত শক্তি প্রয়োগ করে সেই একটা লেজ উঠানোর চেষ্টা করলো। কিন্তু লেজ সে এক বিন্দু পরিমাণও নাড়াতে পারলো না। লেজে একটু কম্পনেরও সৃষ্টি করতে পারলো না। যার দেহে সহস্র হস্তির ক্ষমতা, সে কিনা একটা ছোট্ট বানরের লেজ এদিক থেকে ওদিক সরাতে পারছে না! ভীম মনে মনে খুব চিন্তিত ও ব্যাথিত হলো।

# এভাবে অনেকক্ষণ চেষ্টা করতে করতে সে পুরপুরি ক্লান্ত হয়ে গেলো। তবুও হনুমানের লেজকে এক চুল পরিমাণও নাড়াতে পারলো না। তার পর সে ব্যর্থ হয়ে করজোড়ে বলল, "আপনি কে? আপনি নিশ্চয়ই কোনো সাধারণ বানর হতে পারেন না! আমার ধৃষ্টতার জন্যে আমাকে ক্ষমা করুন।"

# হনুমান তখন ভীমকে নিজের পরিচয় দিয়ে নিজের আসল স্বরূপ দেখালেন! এবং বললেন, "তুমি সম্পর্কে আমার ভ্রাতা হও! আমি পবনপুত্র হনুমান, শ্রীরামের দাস। কুরুক্ষেত্র যুদ্ধে আমি তোমাদের সঙ্গে থাকবো, অর্জুনের রথের ধ্বজায়। আর তোমাদের পক্ষে স্বয়ং পুরুষোত্তম ভগবান শ্রীকৃষ্ণ আছেন! জয় তোমাদের নিশ্চিত হবেই জেনে রেখো।"

# এই কথার পরে হনুমান অন্তর্হিত হলেন। আর মহাবলশালী দ্বিতীয় পান্ডব ভীম, বিশ্ময়, লজ্জিত আর আত্মানন্দে বিমূঢ় স্তব্ধ হয়ে রইলো। মনে মনে পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণকে বারংবার প্রণতি জানাতে লাগলো।

তথ্য সূত্র https://www.facebook.com/krishnakatha.comkrishna






 

Monday, November 1, 2021

Post # 1056 Bengali Amarchitra Katha 047

                                                                        ডাউনলোড করুন


                                                               গুরু নানক

                                                          শিখ ধর্মের প্রবর্তক।

বর্তমান পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের অন্তর্গত লাহোরের নিকটে অবস্থিত 'রায় ভর দি তালবন্দী' গ্রামে, ১৪৬৯ খ্রিষ্টাব্দের ১৩ই এপ্রিল বেদী ক্ষত্রী গোত্রের এক হিন্দু পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।  তাঁর নামানুসারে তাঁর জন্মস্থানের নাম নানকানা সাহেব নামকরণ কর হয়েছে। তার জন্মস্থানে বর্তমানে শিখদের একটি বৃহৎ উপাসনালয় রয়েছে। উপাসনালয়টির নাম 'গুরুদুয়ারা জনম আস্থান'।

তাঁর বাবা মেহতা কল্যাণ দাস বেদী (মেহতা কালু নামে পরিচিত),  গ্রামের মুসলিম জমিদার রায় বুল্লারেরস ভূমি রাজস্ব বিভাগে কাজ করতেন। নানকের মায়ের নাম তৃপ্তা দেবী এবং তার এক বড় বোন ছিল যার নাম নানাকি।

তিনি অল্প কিছু লেখাপড়া শিখে প্রথমে স্থানীয় জমিদারীতে কেরানির কাজ শুরু করেন। এরপর তিনি সুলক্ষ্মণী নামক এক স্থানীয় নারীকে বিয়ে করেন। তাঁর দুই পুত্রের নাম  শ্রীচান্দ ও লক্ষ্মীচান্দ। এরপর তিনি স্ত্রীপুত্র ত্যগ করে সত্যের সন্ধানে নানা জায়গায় ভ্রমণ করতে থাকেন। এক সময় তিনি ঈশ্বরের স্বরূপ অনুধাবন করতে সক্ষম হন এবং তাঁর বাণী প্রচার করা শুরু করেন।  তিনি প্রচার করেন‒ "ঈশ্বর কেবল একজনই, তিনিই সত্য, তিনিই স্রষ্টা, তাঁর ভয় নেই, তাঁর ঘৃণা নেই, তিনি কখনও বিলীন হন না, তিনি জন্ম-মৃত্যু চক্রের উর্দ্ধে, তিনি অজ-অমর স্বয়ংপ্রকাশ। সাধনার দ্বারা প্রকৃত গুরুর মাধ্যমেই তাঁকে অনুধাবন করা যায়। তিনি আদিতে সত্য ছিলেন, তিনি কালের সূচনায় সত্য ছিলেন, চিরকালব্যাপী সত্য আছেন এবং তিনি এখনও সত্য।"

এরপর থেকে নানা দেশে ঘুরে ঘুরে ধর্ম প্রচার করা শুরু করেন। নানক তাঁর বাণী প্রচারের জন্য, 'রাবাব' (এক প্রকার বাদ্যযন্ত্র বিশেষ) বাদক মুসলমান বন্ধু মারদানাকে সঙ্গে নিয়ে বিভিন্ন স্থান পরিভ্রমণ করেছেন। তিনি ভারতবর্ষের অধিকাংশ অঞ্চল ভ্রণ করেন। ভারতের বাইরে আরবের মক্কা, মদিনা, বাগদাদ, শ্রীলঙ্কা প্রভৃতি স্থানে স্থানীয় ভাষায় রাবাব বাদনের ছন্দে তাঁর বাণী প্রচার করেছেন। এই পরিভ্রমণকালে তাঁর ধর্মমত প্রচারের জন্য বিভিন্ন স্থানে প্রচারকেন্দ্রও (মানজিস) স্থাপন করেন।

কথিত আছে যে, ১৪৯৯ খ্রিষ্টাব্দে গুরু নানক নিজ ধর্মমত প্রচারের জন্য ঢাকা আসেন নানা পথ ঘুরে। ইনি মিথিলা থেকে দিনাজপুরে এসে কান্তজীর মন্দির পরিদর্শন করেন। এরপর তিনি কামরূপ ঘুরে সিলেটে যান। এরপর সিলেট থেকে তিন ঢাকাতে আসেন নৌপথে। উত্তর ঢাকার শিবপুরে (বর্তমান রায়ের বাজার, ধানমণ্ডি এলাকার কোনো এক স্থানে) নৌকা থেকে অবতরণ করেন। পরে তিনি ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে যান। শিবপুরের মানুষের পানীয় জলের অভাব দূর করার জন্য সে সময়ের শিবপুর গ্রামের জাফরাবাদ এলাকায় একটি কূপ খনন করিয়েছিলেন। পরে সেখানে বিদেশি অতিথিদের স্নানের সুবিধার্থে এক স্থানীয় শাসক পুকুর খনন করিয়েছিলেন। ১৯৫৯ অবধি সে কূপটি স্থানীয় শিখরা দেখভাল করতেন। পরে আবাসন প্রকল্পের জন্য সরকার জমি বণ্টন করে দিলে পুকুরটি ভরাট করা হয়। কথিত আছে নানক এর এই কুয়াটি বর্তমানে ধানমন্ডি আবাসিক এলাকার ২৬ নং সড়কের ২৭৮ বাড়িতে অবস্থিত। তিনি ঢাকার নীলক্ষেত (তৎকালীন সুজাতপুর মৌজার অন্তর্গত ছিল) অঞ্চলে একটি মাঞ্জি প্রতিষ্ঠা করে ধর্মীয় উপদেশ দেন। উল্লেখ্য, পাঞ্জাবি শব্দ মাঞ্জি-র অর্থ হলো— আধ্যাত্মিক আলোচনার কেন্দ্র। পরে এটাই হয়ে ওঠে নানকশাহী গুরুদুয়ারা হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হয়।

গুরু নানক তাঁর সময়ে লঙ্গরের প্রচলন করেছিলেন। সেখানে সব ধর্মের, সব গোত্রের, সব লিঙ্গের, সমাজের সর্ব স্তরের মানুষেরা পাশাপাশি বসে আহার করেন। দ্বিতীয় শিখগুরু অঙ্গদ দেবের সময় থেকে লঙ্গরে মাংসের ব্যবহার বাতিল করা হয়। তখন থেকে লঙ্গরে নিরামিষ আহার বিতরণ শুরু হয়। ঐতিহাসিকদের মতে বৈষ্ণবদেরকে সম্পৃক্ত করার জন্যই এই ব্যবস্থার প্রচলন করা হয়। বর্তমানে প্রতিটি গুরদুয়ারায়ই লঙ্গরের ব্যবস্থা আছে।

১৫০২ খ্রিষ্টাব্দে লাহোর থেকে মাত্র ২৫ কিলোমিটার দূরে জি টি রোডের ধারে এক প্রকাণ্ড জলাশয়ের ধারে, গুরুনানক একটি মন্দির গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখেন। এই সময় তিনি এই জলাশয়ের নাম রাখেন অমৃত সায়র। তার থেকেই শহরের নাম হয় অমৃতসর। গুরু নানক জীবদ্দশায় তাঁর এই স্বপ্ন বাস্তবায়িত হয় নি। ১৫৮৮ খ্রিষ্টাব্দে শিখ গুরু অর্জুন সিং অমৃত সায়র-এর ধারে স্বর্ণ মন্দিরের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন। ধারণা করা হয়, অমৃতসরের স্বর্ণমন্দির বা হরিমন্দিরে প্রতিদিন ১ লক্ষ লোককে খাবার দেওয়া হয়। বিভিন্ন মানুষের দানেই এই লঙ্গর চলে। এই লঙ্গরকে বলে, 'গুরু কা লঙ্গর'। আর যাঁদের স্বেচ্ছাশ্রমে এই লঙ্গরগুলো চলে, তাঁদেরকে বলা হয় 'সেবাদার'।

মোঘল সম্রাট বাবরের রাজত্বকালে গুরু নানক ও তাঁর মুসলমান বন্ধু মারদানাকে কারাগারে অন্তরীণ করা হয়। কারা কর্মকর্তার মাধ্যমে গুরু নানক সম্পর্কে জানার পর, সম্রাট বাবর নানককে ডেকে পাঠান এবং তাঁর বাণী শুনে তাঁকে একজন বিশেষ ধর্মীয় জ্ঞানসম্পন্ন ব্যক্তি মনে করে তাঁকে মুক্ত করে দেন।

১৫৩৯ খ্রিষ্টাব্দের ৭ই মে, বর্তমান ভারতের পাঞ্জাব প্রদেশের করতারপুর নামক স্থানে নিরুদ্দেশ হয়ে যান। কথিত আছে, একদিন নানক তাঁর মুসলমান বন্ধু মারকানার সাথে বাইন নদীতে স্নান করতে গিয়ে ডুব দিয়ে হারিয়ে যান। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর কোন খোঁজ পাওয়া যায় নাই।

এর তিনদিন পর নানক সবার সামনে উপস্থিত হয়ে বলেন, 'আমি ঈশ্বরের দেখা পেয়েছি, তিনি আমাকে তাঁর প্রেরিত গুরু হিসাবে উল্লেখ করেছেন'। 

 সূত্র :
ভারতের ইতিহাস। অতুলচন্দ্র দাস, প্রণব কুমার।
 http://www.banglapedia.org/

http://www.gurpuri.com/gurpuri/historical-gurdwaras.html





 

Tuesday, October 19, 2021

Post # 1055 Bengali Amarchitra Katha 238

                                                                             ডাউনলোড করুন

 

আজ ডাউনলোড করুন

চারটি গল্প , সবকটি মহাভারত থেকে নেওয়া। প্রথম তিনটি যুধিষ্টিররা শুনেছিলেন পিতামহ ভীষ্মের মুখ থেকে । তখন কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধ শেষ হয়ে গেছে,  পিতামহ ভীষ্ম শর-শয্যায় শুয়ে আছেন । পাণ্ডবেরা রোজ ই ভিড় করতেন তাঁর কাছে, নানা উপদেশ আর গল্প শোনার জন্য । 

শেষের গল্পটি মহাভারতেরই ''কর্ণ পর্ব'' থেকে নেওয়া । সব গল্পই পশু পাখি নিয়ে লেখা , কিন্তু প্রতিটি কাহিনী আসল উপলক্ষ মানুষ । পশু পাখিদের সামনে রেখে সে সব ঘটনার কথাই এখানে বলা হয়েছে । এই ধরনের রুপককাহিনী পুরান, পঞ্চতন্ত্র, হিতপদেশ, মহাভারত, এর গল্পে এবং পৃথিবীর অনান্য সাহিত্যে অজস্র ছড়িয়ে আছে ।