Tuesday, November 2, 2021

Post # 1057 Bengali Amarchitra Katha 214

                                                                        ডাউনলোড করুন


পাণ্ডবদের অজ্ঞাতবাসের সময়ে হনুমান এক অসুস্থ এবং বৃদ্ধ বানরের বেশে ভীমকে দেখা দেন। ভীম ছিলেন অসম্ভব আত্মগর্বী। তাঁকে শিক্ষা দেওয়াই ছিল বজরং বলীর উদ্দেশ্য। ভীমের পথ রুদ্ধ করে অসুস্থ বৃদ্ধের ছদ্মবেশে হনুমান শুয়ে ছিলেন।

# এই বানর আর অন্য কেউ ছিলেন না, ইনি ছিলেন শ্রীরামচন্দ্রের সর্বোত্তম ভক্ত, মহাবলী হনুমান! নিজের যাবার পথে এরকম ভাবে একটা বানরের লেজ পড়ে থাকতে দেখে, ভীম মনে মনে ভাবলো, "আমি মহাবলবান! অথচ আমার চলার পথের উপর এই তুচ্ছ বানরের লেজ পড়ে আছে যা কিনা আমাকে পার করতে হবে!'

# এতে ভীমের খুব অহংকার হলো! একটা তুচ্ছ বানরের লেজ পড়ে থাকবে মহাবলী ভীমের পথে? এই ব্যপার তার ব্যক্তিত্তে খুব আঘাত করলো! ভীম হুংকার দিয়ে তাঁকে বললো, "ওহে বানর, আমার পথ ছেড়ে দাও! তোমার এই তুচ্ছ লেজ আমার পথের উপর থেকে সরিয়ে নাও।"

# হনুমান উত্তরে তাকে বললেন, "দেখো, আমি বৃদ্ধ হয়ে গেছি! তাই এখানে শুয়ে বিশ্রাম করছি। লেজ আর কিভাবেই বা সরাবো তুমিই বলো? বার্ধক্যগ্রস্থ প্রাণী কি আর সেই শক্তি রাখে? তুমিই বরং লেজটা এক পাশে সরিয়ে রেখে তোমার পথে তুমি চলে যাও।"

# ভীম ভাবলো, 'এটা তো সামান্য একটা লেজ!' এই ভেবে সে এক হাত দিয়েই লেজটাকে ধরে উঠাতে গেলো। কিন্তু অবাক করার কাণ্ড! সে লেজটাকে এক চুল পর্যন্ত নাড়াতে পারলো না। তারপর সে তার দুই হাত দিয়ে, সমস্ত শক্তি প্রয়োগ করে সেই একটা লেজ উঠানোর চেষ্টা করলো। কিন্তু লেজ সে এক বিন্দু পরিমাণও নাড়াতে পারলো না। লেজে একটু কম্পনেরও সৃষ্টি করতে পারলো না। যার দেহে সহস্র হস্তির ক্ষমতা, সে কিনা একটা ছোট্ট বানরের লেজ এদিক থেকে ওদিক সরাতে পারছে না! ভীম মনে মনে খুব চিন্তিত ও ব্যাথিত হলো।

# এভাবে অনেকক্ষণ চেষ্টা করতে করতে সে পুরপুরি ক্লান্ত হয়ে গেলো। তবুও হনুমানের লেজকে এক চুল পরিমাণও নাড়াতে পারলো না। তার পর সে ব্যর্থ হয়ে করজোড়ে বলল, "আপনি কে? আপনি নিশ্চয়ই কোনো সাধারণ বানর হতে পারেন না! আমার ধৃষ্টতার জন্যে আমাকে ক্ষমা করুন।"

# হনুমান তখন ভীমকে নিজের পরিচয় দিয়ে নিজের আসল স্বরূপ দেখালেন! এবং বললেন, "তুমি সম্পর্কে আমার ভ্রাতা হও! আমি পবনপুত্র হনুমান, শ্রীরামের দাস। কুরুক্ষেত্র যুদ্ধে আমি তোমাদের সঙ্গে থাকবো, অর্জুনের রথের ধ্বজায়। আর তোমাদের পক্ষে স্বয়ং পুরুষোত্তম ভগবান শ্রীকৃষ্ণ আছেন! জয় তোমাদের নিশ্চিত হবেই জেনে রেখো।"

# এই কথার পরে হনুমান অন্তর্হিত হলেন। আর মহাবলশালী দ্বিতীয় পান্ডব ভীম, বিশ্ময়, লজ্জিত আর আত্মানন্দে বিমূঢ় স্তব্ধ হয়ে রইলো। মনে মনে পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণকে বারংবার প্রণতি জানাতে লাগলো।

তথ্য সূত্র https://www.facebook.com/krishnakatha.comkrishna






 

Monday, November 1, 2021

Post # 1056 Bengali Amarchitra Katha 047

                                                                        ডাউনলোড করুন


                                                               গুরু নানক

                                                          শিখ ধর্মের প্রবর্তক।

বর্তমান পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের অন্তর্গত লাহোরের নিকটে অবস্থিত 'রায় ভর দি তালবন্দী' গ্রামে, ১৪৬৯ খ্রিষ্টাব্দের ১৩ই এপ্রিল বেদী ক্ষত্রী গোত্রের এক হিন্দু পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।  তাঁর নামানুসারে তাঁর জন্মস্থানের নাম নানকানা সাহেব নামকরণ কর হয়েছে। তার জন্মস্থানে বর্তমানে শিখদের একটি বৃহৎ উপাসনালয় রয়েছে। উপাসনালয়টির নাম 'গুরুদুয়ারা জনম আস্থান'।

তাঁর বাবা মেহতা কল্যাণ দাস বেদী (মেহতা কালু নামে পরিচিত),  গ্রামের মুসলিম জমিদার রায় বুল্লারেরস ভূমি রাজস্ব বিভাগে কাজ করতেন। নানকের মায়ের নাম তৃপ্তা দেবী এবং তার এক বড় বোন ছিল যার নাম নানাকি।

তিনি অল্প কিছু লেখাপড়া শিখে প্রথমে স্থানীয় জমিদারীতে কেরানির কাজ শুরু করেন। এরপর তিনি সুলক্ষ্মণী নামক এক স্থানীয় নারীকে বিয়ে করেন। তাঁর দুই পুত্রের নাম  শ্রীচান্দ ও লক্ষ্মীচান্দ। এরপর তিনি স্ত্রীপুত্র ত্যগ করে সত্যের সন্ধানে নানা জায়গায় ভ্রমণ করতে থাকেন। এক সময় তিনি ঈশ্বরের স্বরূপ অনুধাবন করতে সক্ষম হন এবং তাঁর বাণী প্রচার করা শুরু করেন।  তিনি প্রচার করেন "ঈশ্বর কেবল একজনই, তিনিই সত্য, তিনিই স্রষ্টা, তাঁর ভয় নেই, তাঁর ঘৃণা নেই, তিনি কখনও বিলীন হন না, তিনি জন্ম-মৃত্যু চক্রের উর্দ্ধে, তিনি অজ-অমর স্বয়ংপ্রকাশ। সাধনার দ্বারা প্রকৃত গুরুর মাধ্যমেই তাঁকে অনুধাবন করা যায়। তিনি আদিতে সত্য ছিলেন, তিনি কালের সূচনায় সত্য ছিলেন, চিরকালব্যাপী সত্য আছেন এবং তিনি এখনও সত্য।"

এরপর থেকে নানা দেশে ঘুরে ঘুরে ধর্ম প্রচার করা শুরু করেন। নানক তাঁর বাণী প্রচারের জন্য, 'রাবাব' (এক প্রকার বাদ্যযন্ত্র বিশেষ) বাদক মুসলমান বন্ধু মারদানাকে সঙ্গে নিয়ে বিভিন্ন স্থান পরিভ্রমণ করেছেন। তিনি ভারতবর্ষের অধিকাংশ অঞ্চল ভ্রণ করেন। ভারতের বাইরে আরবের মক্কা, মদিনা, বাগদাদ, শ্রীলঙ্কা প্রভৃতি স্থানে স্থানীয় ভাষায় রাবাব বাদনের ছন্দে তাঁর বাণী প্রচার করেছেন। এই পরিভ্রমণকালে তাঁর ধর্মমত প্রচারের জন্য বিভিন্ন স্থানে প্রচারকেন্দ্রও (মানজিস) স্থাপন করেন।

কথিত আছে যে, ১৪৯৯ খ্রিষ্টাব্দে গুরু নানক নিজ ধর্মমত প্রচারের জন্য ঢাকা আসেন নানা পথ ঘুরে। ইনি মিথিলা থেকে দিনাজপুরে এসে কান্তজীর মন্দির পরিদর্শন করেন। এরপর তিনি কামরূপ ঘুরে সিলেটে যান। এরপর সিলেট থেকে তিন ঢাকাতে আসেন নৌপথে। উত্তর ঢাকার শিবপুরে (বর্তমান রায়ের বাজার, ধানমণ্ডি এলাকার কোনো এক স্থানে) নৌকা থেকে অবতরণ করেন। পরে তিনি ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে যান। শিবপুরের মানুষের পানীয় জলের অভাব দূর করার জন্য সে সময়ের শিবপুর গ্রামের জাফরাবাদ এলাকায় একটি কূপ খনন করিয়েছিলেন। পরে সেখানে বিদেশি অতিথিদের স্নানের সুবিধার্থে এক স্থানীয় শাসক পুকুর খনন করিয়েছিলেন। ১৯৫৯ অবধি সে কূপটি স্থানীয় শিখরা দেখভাল করতেন। পরে আবাসন প্রকল্পের জন্য সরকার জমি বণ্টন করে দিলে পুকুরটি ভরাট করা হয়। কথিত আছে নানক এর এই কুয়াটি বর্তমানে ধানমন্ডি আবাসিক এলাকার ২৬ নং সড়কের ২৭৮ বাড়িতে অবস্থিত। তিনি ঢাকার নীলক্ষেত (তৎকালীন সুজাতপুর মৌজার অন্তর্গত ছিল) অঞ্চলে একটি মাঞ্জি প্রতিষ্ঠা করে ধর্মীয় উপদেশ দেন। উল্লেখ্য, পাঞ্জাবি শব্দ মাঞ্জি-র অর্থ হলো— আধ্যাত্মিক আলোচনার কেন্দ্র। পরে এটাই হয়ে ওঠে নানকশাহী গুরুদুয়ারা হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হয়।

গুরু নানক তাঁর সময়ে লঙ্গরের প্রচলন করেছিলেন। সেখানে সব ধর্মের, সব গোত্রের, সব লিঙ্গের, সমাজের সর্ব স্তরের মানুষেরা পাশাপাশি বসে আহার করেন। দ্বিতীয় শিখগুরু অঙ্গদ দেবের সময় থেকে লঙ্গরে মাংসের ব্যবহার বাতিল করা হয়। তখন থেকে লঙ্গরে নিরামিষ আহার বিতরণ শুরু হয়। ঐতিহাসিকদের মতে বৈষ্ণবদেরকে সম্পৃক্ত করার জন্যই এই ব্যবস্থার প্রচলন করা হয়। বর্তমানে প্রতিটি গুরদুয়ারায়ই লঙ্গরের ব্যবস্থা আছে।

১৫০২ খ্রিষ্টাব্দে লাহোর থেকে মাত্র ২৫ কিলোমিটার দূরে জি টি রোডের ধারে এক প্রকাণ্ড জলাশয়ের ধারে, গুরুনানক একটি মন্দির গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখেন। এই সময় তিনি এই জলাশয়ের নাম রাখেন অমৃত সায়র। তার থেকেই শহরের নাম হয় অমৃতসর। গুরু নানক জীবদ্দশায় তাঁর এই স্বপ্ন বাস্তবায়িত হয় নি। ১৫৮৮ খ্রিষ্টাব্দে শিখ গুরু অর্জুন সিং অমৃত সায়র-এর ধারে স্বর্ণ মন্দিরের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন। ধারণা করা হয়, অমৃতসরের স্বর্ণমন্দির বা হরিমন্দিরে প্রতিদিন ১ লক্ষ লোককে খাবার দেওয়া হয়। বিভিন্ন মানুষের দানেই এই লঙ্গর চলে। এই লঙ্গরকে বলে, 'গুরু কা লঙ্গর'। আর যাঁদের স্বেচ্ছাশ্রমে এই লঙ্গরগুলো চলে, তাঁদেরকে বলা হয় 'সেবাদার'।

মোঘল সম্রাট বাবরের রাজত্বকালে গুরু নানক ও তাঁর মুসলমান বন্ধু মারদানাকে কারাগারে অন্তরীণ করা হয়। কারা কর্মকর্তার মাধ্যমে গুরু নানক সম্পর্কে জানার পর, সম্রাট বাবর নানককে ডেকে পাঠান এবং তাঁর বাণী শুনে তাঁকে একজন বিশেষ ধর্মীয় জ্ঞানসম্পন্ন ব্যক্তি মনে করে তাঁকে মুক্ত করে দেন।

১৫৩৯ খ্রিষ্টাব্দের ৭ই মে, বর্তমান ভারতের পাঞ্জাব প্রদেশের করতারপুর নামক স্থানে নিরুদ্দেশ হয়ে যান। কথিত আছে, একদিন নানক তাঁর মুসলমান বন্ধু মারকানার সাথে বাইন নদীতে স্নান করতে গিয়ে ডুব দিয়ে হারিয়ে যান। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর কোন খোঁজ পাওয়া যায় নাই।

এর তিনদিন পর নানক সবার সামনে উপস্থিত হয়ে বলেন, 'আমি ঈশ্বরের দেখা পেয়েছি, তিনি আমাকে তাঁর প্রেরিত গুরু হিসাবে উল্লেখ করেছেন'। 

 সূত্র :
ভারতের ইতিহাস। অতুলচন্দ্র দাস, প্রণব কুমার।
 http://www.banglapedia.org/

http://www.gurpuri.com/gurpuri/historical-gurdwaras.html





 

Tuesday, October 19, 2021

Post # 1055 Bengali Amarchitra Katha 238

                                                                             ডাউনলোড করুন

 

আজ ডাউনলোড করুন

চারটি গল্প , সবকটি মহাভারত থেকে নেওয়া। প্রথম তিনটি যুধিষ্টিররা শুনেছিলেন পিতামহ ভীষ্মের মুখ থেকে । তখন কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধ শেষ হয়ে গেছে,  পিতামহ ভীষ্ম শর-শয্যায় শুয়ে আছেন । পাণ্ডবেরা রোজ ই ভিড় করতেন তাঁর কাছে, নানা উপদেশ আর গল্প শোনার জন্য । 

শেষের গল্পটি মহাভারতেরই ''কর্ণ পর্ব'' থেকে নেওয়া । সব গল্পই পশু পাখি নিয়ে লেখা , কিন্তু প্রতিটি কাহিনী আসল উপলক্ষ মানুষ । পশু পাখিদের সামনে রেখে সে সব ঘটনার কথাই এখানে বলা হয়েছে । এই ধরনের রুপককাহিনী পুরান, পঞ্চতন্ত্র, হিতপদেশ, মহাভারত, এর গল্পে এবং পৃথিবীর অনান্য সাহিত্যে অজস্র ছড়িয়ে আছে ।






 

Sunday, October 17, 2021

Post # 1054 Bengali Amarchitra Katha 237

                                                                          ডাউন লোড করুন


 

গোপাল ভাঁড় আসলে কে? জেনে নিন গোপাল ভাঁড় এর জানা-অজানা…

যে মানুষটির নাম শুনলেই অনেকে হেসে ফেলে। হাসতে হাসতে অনেকের আজও পেটে খিল ধরে যায়। যার কথা শুনলেই মনে পড়ে উদ্ভট কীর্তিকলাপ আর তীক্ষ্ণ বুদ্ধির কথা। সেই সাথে মনে পড়ে ষড়যন্ত্রের রহস্য উদঘাটন প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে তার বিভিন্ন চোরাগোপ্তা অন্তর্ঘাতের কথা। সেই গোপাল ভাঁড় বলে কি সত্যিই কেউ ছিলেন?

তার সম্পর্কে বাঙ্গালির আগ্রহের শেষ নেই। যেই মানুষটা এতটা চালাক আর রহস্যময়ী আসলেই মানুষটা কে? এই প্রশ্নটা গোপাল ভাঁড় ভক্তদের মনে সবসময়ই আগ্রহই রয়ে গেছে। গোপাল ভাঁড় কি শুধুই গল্প কাহিনি? না তার কোন বাস্তব চিত্র রয়েছে? এ সম্পর্কে ঐতিহাসিকরাও সঠিক কোন তথ্য দিতে পারে নি।

তবে মানুষের ধারণা আর অনুমান বলে। গোপাল ভাঁড় আসলেও একজন বাস্তবেই ছিলেন। যিনি কি না ছিলেন নদিয়ারাজ কৃষ্ণচন্দ্রের সভার একজন পরিহাসকারী। যার কাজ ছিল সভাকে প্রানবন্ত রাখা। এমনটাই ধারণা করেন অনেকে।

আবার অনেকে বলেন, গোপাল নামে কেউ-ই ছিলেন না, কিন্তু কৃষ্ণচন্দ্রের সভায় ছিলেন অতি সুচতুর একাধিক ব্যক্তি। তাঁদের সম্মিলিত রূপই মানুষের কাছে প্রতিষ্ঠা পেয়েছে গোপাল ভাঁড় হিসেবে।

তবে এই বিতর্কের মাঝেই নগেন্দ্রনাথ দাস নামের এক ব্যাক্তি নিজেকে গোপাল ভাঁড়ের বংশধর বলে দাবি করে বসেন। এবং ‘নবদ্বীপ-কাহিনী বা মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্র ও গোপাল ভাঁড়’ নামে একটি বইও লিখে ফেলেন তিনি।

এই বইয়ে নগেন্দ্রনাথ দাস দাবি করেন, ‘ভাঁড়’ নয়, গোপালের পদবি ছিল ‘নাই’। তাঁর দাদা ছিলেন ‘আনন্দরাম নাই নামে এক পরম তান্ত্রিক সাধক।’ আর গোপালের বাবা দুলালচন্দ্র নাই, পেশায় ছিলেন নাপিত। তবে, গোপালের বুদ্ধিতে মুগ্ধ হয়েই নদিয়ারাজ তাঁকে সভার অন্যতম রত্ন হিসেবে স্থান দেন। তখন গোপালের উপাধি হয় ‘ভাণ্ডারী’। ‘ভাণ্ডারী’ থেকে অপভ্রংশেই ‘ভাঁড়’ গোপাল ভাঁড়!

সে আরও দাবি করেন, কোনও পুত্রসন্তান না থাকলেও গোপাল ভাঁড়ের একটি মেয়ে ছিল। তাঁর নাম ‘রাধারাণী’। গোপাল ভাঁড়ের বংশ লতিকাও তিনি এই বইয়ে রেখেছেন।

নগেন্দ্রনাথের বক্তব্য, তিনি গোপালের ভাই কল্যাণের উত্তরসূরি। সেই অর্থে গোপালের একমাত্র বংশধর। তবে এই মত যে সব ঐতিহাসিক সন্দেহাতীত ভাবে মেনে নিচ্ছেন, তা বলা যায় না।

 https://bn.quora.com/







 

Friday, October 15, 2021

Post # 1053 Bengali Amarchitra Katha 234

                                                                   ডাউনলোড করুন


 ইন্দ্রজাল কমিকস্‌ ১০৩ -৪২০ লিংক ডাউন করা হলো(২৯৫ বেতালের বিবাহ ডাউনলোড করতে পারবেন ) র‍্যার থেকে পি ডি এফ করা হবে এটি একটি কারন আর শক্তি কমিকস্‌ বই গুলির কপি রিইট নিয়ে প্রকাশ করতে চলেছে , এটি  আর একটি কারন , তবে আপাতত কথা হয়েছে যে বই গুলি ওরা প্রকাশ করবেন কেবল মাত্র সেই গুলির লিংক ডাউন করলেই চলবে। 

এছাড়া খণ্ড ২১ পুরো ডাউন করা আছে ,খণ্ড ২২ এর ১-১৬,১৮ ও ২০-২৯ ও ৫২ ডাউন করা আছে ,এবং খণ্ড ২৩  সম্পূর্ণ রূপে ডাউন করা আছে । বাকি সমস্ত বই ডাউনলোড হবে ।

 

২২ মার্চ রাতের মধ্যে ব্রিটিশ সরকার সমস্ত প্রস্তুতি সেরে ফেলেছিল ভারতের তিন সন্তান ভগত সিং, রাজগুরু ও সুখদেবকে ফাঁসি দেওয়ার। প্রতি রাতের মতো সেই রাতেও ..এই তিন তরুণ স্বপ্ন দেখেছিলেন দেশকে বিটিশ শাসন থেকে মুক্ত করার। এই খবরটি গোটা দেশে আগুনের মতো ছড়িয়ে পড়ে। সেই রাতে শুধুমাত্র এই তিনজনের পরিবার না, সমগ্র দেশবাসীর জন্য স্মরণীয়। কিন্তু কোনও একটি বিশেষ কারণে ২৩ মার্চ তাঁদের নির্ধারিত সময়ের ১১ ঘণ্টা আগে তাঁদের ফাঁসি দেওয়া হয়।  ঠিক কী হয়েছিল সেই দিন ?

সেই সময়ের ভারতের ভাইসরয় লর্ড আরউইন মামলাটির জন্য এক বিশেষ ট্রাইব্যুনাল বা বিচারসভার আয়োজন করেছিলেন, যেখানে তাঁদের মৃত্যুদণ্ডের রায় দেওয়া হয়। এই তিন শহীদকে ১৯৩১ সালের ২৩ মার্চ লাহোরের সেন্ট্রাল জেলে ফাঁসি দেওয়া হয়। এই মামলায় সুখদেবও দোষী সাব্যস্ত হন। 

জেনে রাখা ভাল, কেন্দ্রীয় পরিষদে বোমা নিক্ষেপের দিন ২৪ মার্চ ঠিক করা হয়েছিল। তার আগেই ভগত সিংয়ের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। তবে এই দিনটিকে ব্রিটিশদের ভীত হওয়ার দিন হিসাবেও মনে রাখা উচিত। কারণে এই তিনজনকে ১১ ঘন্টা আগে ফাঁসি দেওয়া হয়েছিল। ফাঁসি মঞ্চে যাওয়ার সময় ভগত সিং, সুখদেব এবং রাজগুরু আনন্দে গান গেয়েছিলেন।

মেরা রং দে
মেরা রং দে বসন্তি চোলা
মেরা রং দে বাসন্তি চোলা