Tuesday, September 7, 2021

Post # 1052 Bengali Amarchitra Katha 233

                                                                            ডাউনলোড করুন

 

 

পঞ্চতন্ত্র সংস্কৃত ভাষায় রচিত একটি প্রাচীন গ্রন্থ ৷ রচয়িতা কবি বিষ্ণু শর্মা ৷ তবে এই গ্রন্থের মূল পাণ্ডুলিপি পাওয়া যায় নি ৷ নানা উপদেশমূলক গল্পের সঙ্কলন এই গ্রন্থ ৷ জীবনের পথের নানা উপদেশ এই গ্রন্থের নানা গল্পের উদাহরণের মধ্যে তুলে ধরা হয়েছে ৷ গ্রন্থটি ৫ টি তন্ত্রে বিভক্ত ৷ এগুলি হল : 

 

 

  • মিত্রভেদ                              
    The first page of oldest surviving Panchatantra text in Sanskrit


  • মিত্রপ্রাপ্তি
  • কাকোলুকীয়
  • লব্ধপ্রনাশ
  • অপরিক্ষিতকারক








 

Sunday, September 5, 2021

Post # 1051 Bengali Amarchitra Katha 228

                                                                        ডাউনলোড করুন

বীরবলের মজার এবং বুদ্ধিদীপ্ত গল্পগুলো যুগের পর যুগ আমাদের হাসিয়েছে এবং ভাবিয়েছে। কিন্তু কে এই বীরবল? ইতিহাস থেকে যতটুকু জানা যায়, বীরবলের আসল নাম মহেশ দাস ভট্ট। কিন্তু সে নামে তাকে আর কজনই বা চেনে! বীরবল নামেই সবার কাছে পরিচিত তিনি। ১৫২৮ সালে ভারতের উত্তর প্রদেশের কল্পি গ্রামের নিকটবর্তী এক সম্ভ্রান্ত ব্রাহ্মণ পরিবারে তার জন্ম। লোককথা অনুযায়ী, তার জন্ম যমুনা নদীর তীরবর্তী তিকাওয়ানপুর গ্রামে। বীরবলের বাবার নাম গঙ্গা দাস আর মায়ের নাম অনভা দেবী।

কারও কারও মতে অনেক আগে থেকেই তার পরিবারের কবিতা ও সাহিত্যের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল। হিন্দি, সংস্কৃত আর ফার্সি ভাষায় দক্ষ বীরবল কাব্য ও সঙ্গীত রচনায়ও ছিলেন পারদর্শী। এছাড়া তিনি গদ্যও লিখতেন এবং ‘ব্রজবুলি’ নামক ভাষায় বিশেষ দক্ষ ছিলেন। একসময় বীরবল মধ্যপ্রদেশের রেওয়াতে রাজপুত রাজা রামচন্দ্রের রাজসভায় রাজ সেবাকার্যে নিয়োজিত ছিলেন; কিন্তু ব্যক্তিগত জীবনে বীরবল ছিলেন দরিদ্র। অবশ্য বীরবলের শ্বশুর ভাগ্য ভালোই বলতে হবে। কারণ এক ধনীর কন্যাকে বিয়ে করার পর তার আর্থিক ও সামাজিক অবস্থার বেশ খানিকটা উন্নতি হয়।

তবে সম্রাট আকবরের দরবারে সুনাম অর্জনে বীরবলের নিজস্ব মেধাই যথেষ্ট ছিল। মুঘল সম্রাট আকবরের অন্যতম সভাসদ ছিলেন বীরবল। সম্রাট আকবরের সঙ্গে নাটকীয় পরিচয়ের পর ১৫৫৬ সালে তার রাজসভায় অন্তর্ভুক্ত হন বীরবল। প্রায় ৩০ বছর ধরে বীরবল একনিষ্ঠভাবে তার দায়িত্ব পালন করে যান আকবরের রাজসভায়। অসাধারণ রসবোধ ও প্রখর বুদ্ধির জোরে খুব অল্প সময়ে তিনি রাজসভায় অনেক উচ্চপদ লাভ করেন, যে কারণে রাজসভার অনেকেরই ঈর্ষার পাত্র ছিলেন তিনি। আকবরের দরবারে গুণী ব্যক্তিদের যে বিশাল সমারোহ- এর মধ্যে নয়জন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে বলা হতো ‘নবরত্ন’। এই নবরত্নের সবচেয়ে ‘উজ্জ্বল রত্নটি’ ছিলেন মহেশ দাস ভট্ট তথা বীরবল।

মূলত বীরবল বাদশাহ আকবরের দরবারে একজন কবি ও গায়ক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন। কিন্তু সেসব পরিচয় পেছনে ফেলে উপস্থিত বুদ্ধি ও অসাধারণ মেধার জন্য তিনি সবার কাছে বিশেষভাবে পরিচিতি লাভ করেন। হাস্যরসের মাধ্যমে অনেক অসঙ্গতিকে তুলে ধরতে দারুণ পটু ছিলেন বীরবল। পাশাপাশি সমর বিদ্যায়ও বীরবলের দখল ছিল উল্লেখ করার মতো। সম্রাট আকবরও প্রায় সব বিষয়ে বীরবলের বুদ্ধি-পরামর্শ নিতেন। ১৫৮৬ সালে আকবর তাকে এক অভিযানে ভারতের উত্তর-দক্ষিণ দিকে অর্থাৎ বর্তমান আফগানিস্তানে পাঠান। কিন্তু এই অভিযান অত্যন্ত শোচনীয়ভাবে ব্যর্থ হয় এবং বিদ্রোহী উপজাতিদের আক্রমণে বহু সৈন্যসহ বীরবল মৃত্যুবরণ করেন।

আকবরের শাসনামলের শেষদিকে তার এবং বীরবলের মধ্যকার মজার ঘটনাগুলো ধীরে ধীরে প্রকাশিত হতে থাকে। এ কাহিনীগুলোতে বীরবলকে ক্ষুরধার বুদ্ধিমান হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। ধীরে ধীরে এ কাহিনী পুরো ভারতীয় উপমহাদেশে তুমুল জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। আর একইসঙ্গে মানুষের মনে চিরদিনের মতো গেঁথে যায় একটি নাম- বীরবল!

 তথ্য সূত্র https://www.jugantor.com







 

Friday, September 3, 2021

Post # 1050 Bengali Amarchitra Katha 225

                                                                           ডাউনলোড করুন

 

 সাঁই শব্দটি ফরাসী শব্দ , যার অর্থ সাধু । আবার অনেকে বলেন সাই শব্দটি সংস্কৃত ভাষা থেকে উৎসারিত। এই শব্দের অর্থ "সাক্ষাৎ ঈশ্বর" বা "দিব্য"। ভারতীয় ভাষাগুলিতে সাম্মানিক "বাবা" কথাটির অর্থ "পিতা", "পিতামহ", "বৃদ্ধ ব্যক্তি" বা "মহাশয়"। অর্থাৎ, সাই বাবা নামের অর্থ "দিব্য পিতা" বা "পিতৃরূপী সন্ত"। আরও একটি মত বলে সাই শব্দটা পারসি উদ্ভূত। এর অর্থ পবিত্র ব্যক্তি। নিজের জীবৎকালে সাইবাবা কখনও তাঁর আসল নাম, জাতি বা ধর্ম প্রকাশ করেননি।

 সাঁই বাবা কোথায় জন্মে ছিলেন, তাঁর আসল নাম কি কারাই বা তাঁর পিতা মাতা তা  কারুর জানানেই। শুধু এইটুকু জানা যায় যে তিনি ফকিরের পোষাক পরে একটি পরিত্যক্ত মসজিদ এ থাকতেন ।তাঁর পরম ভক্তদের থেকে তাঁর সম্পর্কে নানা অলৌকিক ঘটনা শুনতে পাওয়া যায়, সেই কাহিনী গুলি থেকে আসল মানুষটির সম্পর্কে একটি বৃহৎ ধারনা করা যায় । 

১৯ জানুয়ারি মহারাষ্ট্রের মন্দিরনগরী শিরডিতে বন্ধ পালিত হয়েছে। ১৯ শতাব্দীতে জন্মগ্রহণ করা সাইবাবার জন্মস্থান নিয়ে বিতর্কের প্রেক্ষিতে এই বনধ। সকালে মন্দির খুলে দেওয়া হয়েছিল ভক্তকুলের জন্য, লম্বা লাইনও পড়েছিল সেখানে। কিন্তু দোকানপাট সবই বন্ধ ছিল, বন্ধ ছিল পরিবহণও।

শিরডির স্থানীয় বাসিন্দারা মহারাষ্ট্র সরকারের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ করছেন। সরকার পারভানি জেলার পাথরি শহরে সাই বাবার জন্মস্থান হিসেবে উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করেছে। শিরডির বাসিন্দাদের দাবি পাথরিতে সাইবাবার জন্মগ্রহণের ব্যাপারে কোনও সুনির্দিষ্ট তথ্যপ্রমাণ নেই। এদিকে পাথরির বাসিন্দাদের দাবি, সাইবাবা যে তাঁদের শহরেই জন্মেছিলেন তা প্রমাণ করবার ২৯টি নথি রয়েছে তাঁদের কাছে।

বিষয়টি প্রথম সামনে আসে ২০১৭ সালে, যখন রাষ্ট্রপতি সে বছরের অক্টোবর মাসে বলেন, সাইবাবা পাথরিতে জন্মেছিলেন। বিতর্ক মাথা চাড়া দেয় উদ্ধব ঠাকরে মুখ্যমন্ত্রী হবার পরেই সাইবাবার জন্মস্থল হিসেবে কথিত পাথরিকে ১০০ কোটি টাকা দেবার কথা ঘোষণা করায়।

সাইবাবার জন্মস্থল নিয়ে নানা বিশ্বাস

সাইবাবা একজন আধ্যাত্মিক গুরু। বিভিন্ন রকম বিশ্বাসের লোকজন তাঁর শরণ নিয়েছেন। ভারত তো বটেই, বিদেশনিবাসী বহু ভারতীয়ও তাঁর শিষ্য। সাই শব্দটা পারসি উদ্ভূত। এর অর্থ পবিত্র ব্যক্তি। নিজের জীবৎকালে সাইবাবা কখনও তাঁর আসল নাম, জাতি বা ধর্ম প্রকাশ করেননি।

লোকসত্তায় প্রকাশিত একটি রিপোর্ট অনুসারে সাইবাবার জন্মস্থান নিয়ে যে বিভিন্ন বিশ্বাস রয়েছে, সেগুলি হল-

১. পারভানির পাথরি শহরের বাসিন্দাদের মতে তাঁদের শহরেই জন্মেছিলেন সাইবাবা। সাইবাবার জীবনী শ্রী সাইচরিত-এর অষ্টম সংস্করণে তার উল্লেখ আছে বলে দাবি করছেন তাঁরা।

২. কেউ কেউ দাবি করেন, সাইবাবার জন্ম তামিলনাড়ুতে। এঁদের বক্তব্য অনুসারে সাইবাবার মায়ের নাম ছিল বৈষ্ণবদেবী ও বাবার নাম ছিল আবদুল সাত্তার। পরে তিনি সেখান থেকে শিরডি যান।

শ্রী সাই লীলা ত্রৈমাসিক পত্রের ১৯৫২ অক্টোবর-ডিসেম্বর সংখ্যায় বলা হয়েছিল, সাইবাবার বাবার নাম শাঠে শাস্ত্রী ও মায়ের নাম মহালক্ষ্মী। এর সমর্থনে একটি তামিল গ্রন্থের উল্লেখ করা হয় সেখানে।

৪. গুজরাটি ভাষার পত্রিকা সাই সুধায় দাবি করা হয়েছে সাই বাবা জন্মেছিলেন জেরুজালেমের জাফা গেটে। সেখানে দাবি করা হয়েচে তাঁর বাবা মা দুজনেই ছিলেন গুজরাটি ব্রাহ্মণ।

৫. ১৯৫৯ সালে সুমন সুন্দরের লেখা বই সাই লীলায় বলা হয়েছে বাবা পাথরিতে জন্মগ্রহণ করেন। এই বই অনুসারে তাঁর বাবার নাম গঙ্গাভাউ এবং মায়ের নাম দেবগিরি আম্মা। পাথরি শহরের উল্লেখ এ বইয়ে করা হলেও সেখানে বলা হয়েছে এ পাথরি হায়দরাবাদ রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত।

  হিন্দু ও মুসলিম  উভয় সম্প্রদায়ের ভক্তরাই তাকে সন্ত আখ্যা দিয়েছিলেন।

হিন্দু ভক্তেরা তাকে দত্তাত্রেয়ের অবতার মনে করতেন। অনেক ভক্তের মতে, তিনি ছিলেন সদ্গুরু, সুফি পির বা কুতুব। বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে তার পরিচিতি ছড়িয়ে পড়লেও, ভারতেই তিনি সর্বাধিক শ্রদ্ধা অর্জন করেছিলেন।

সাই বাবার প্রকৃত নাম জানা যায় না শিরডিতে আগমনের পর তাকে "সাই" নাম দেওয়া হয়। তার জন্ম বা জন্মস্থান সংক্রান্ত কোনো তথ্যও জানা যায় না। সাই বাবা তার পূর্বাশ্রমের কথা জানিয়ে যাননি। সাই শব্দটি সংস্কৃত ভাষা থেকে উৎসারিত। এই শব্দের অর্থ "সাক্ষাৎ ঈশ্বর" বা "দিব্য"। ভারতীয় ভাষাগুলিতে সাম্মানিক "বাবা" কথাটির অর্থ "পিতা", "পিতামহ", "বৃদ্ধ ব্যক্তি" বা "মহাশয়"। অর্থাৎ, সাই বাবা নামের অর্থ "দিব্য পিতা" বা "পিতৃরূপী সন্ত"।

তার পিতামাতা, জন্মের বৃত্তান্ত এবং ষোলো বছর বয়সের পূর্বের কথা জানা যায় না। তাই তার পূর্বাশ্রম সম্পর্কে নানা জল্পনা-কল্পনা করা হয়ে থাকে।

সাই বাবা পার্থিব বস্তুর প্রতি আগ্রহী ছিলেন না। তার একমাত্র চিন্তা ছিল আত্ম-উপলব্ধি। তিনি সন্ত হিসেবে খুবই জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন। বিশ্বের নানা অংশের মানুষ তার পূজা করেন। তিনি ভালবাসা, ক্ষমা, পরস্পরকে সহায়তা, দান, সন্তুষ্টি, আন্তরিক শান্তি ও ঈশ্বর ও গুরুর প্রতি ভক্তির শিক্ষা দিতেন। সাই বাবার শিক্ষার উপাদান সংগৃহীত হয়েছিল হিন্দু ও ইসলাম উভয় ধর্ম থেকেই। যে মসজিদে তিনি বাস করতেন, তার একটি হিন্দু নামও দিয়েছিলেন। এই নামটি হল "দ্বারকাময়ী"। তিনি হিন্দু ও মুসলিম উভয় ধর্মেরই অনুষ্ঠানাদি পালন করতেন। উভয় সম্প্রদায়ের ভাষা ও ব্যক্তিত্বদের উদাহরণ দিয়ে উপদেশ দান করতেন। শিরিডির  একটি হিন্দু মন্দিরে তাকে সমাহিত করা হয়। তার বিখ্যাত উক্তি "সবকা মালিক এক" ("একই ঈশ্বর সকলকে শাসন করেন")। কথাটি ইসলাম ও সুফিবাদের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত। তিনি সর্বদা "আল্লাহ্‌ মালিক" ("ঈশ্বরই রাজা") কথাটি উচ্চারণ করতেন।

  






 

Monday, August 30, 2021

Post # 1049 Bengali Amarchitra Katha 223

                                                                   ডাউনলোড কোরুন 

 

 

°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°
এসে গিয়েছে চাঁদমামা #গল্প_সমগ্র, #উপন্যাস_সমগ্র#বেতাল_কথা_সমগ্র বই তিনটির #প্রি_বুকিং লিংক।
#কুড়ি_শতাংশ_বিশেষ_ছাড়ে প্রি বুকিং করা যাবে। প্রি বুকিং করা যাবে শুধুমাত্র https://boichitro.in/ এর মাধ্যমে। সারা ভারতে COD অপসন থাকবে।
লিংক নিচে দেওয়া হল
👇👇👇
বেতাল কথা সমগ্রঃ 
উপন্যাস সমগ্রঃ
 
সেপ্টেম্বর মাসের পঁচিশ তারিখ পর্যন্ত প্রি বুকিং চলবে। তারপরে অনলাইন সেলার প্রি বুকিং কপি ক্রেতাদের ঠিকানায় পাঠাবে। অক্টোবর মাসের এক তারিখ থেকে কলেজ স্ট্রিটের দেজ পাবলিশিং, দে বুক স্টোর, আদি দে বুক স্টোর, দাস বুক স্টল, অরণ্যমন ইত্যাদি বুক সেলারদের কাউন্টারে এই বইগুলি পাওয়া যাবে। এছাড়া আমাজন, ফ্লিপকার্ট ও অন্যান্য অনলাইন সেলার সাইটে বইগুলি পাওয়া যাবে। পশ্চিমবঙ্গের প্রায় সব বড় বইয়ের দোকানেও বইগুলি পাওয়া যাবে।
এছাড়াও থাকছে অফিশিয়াল ই-বুক। সুইফট বুকসে খুব তাড়াতাড়ি তিনটি বই এসে যাবে ই-বুক ফরম্যাটে। গুগল প্লে বুক আর কিন্ডলেও পাওয়া যাবে কিছুদিনের মধ্যেই।

 আসুন ফ্যালকন কোলকাতার পেজে...
প্রথম থেকে পরপর পঞ্চান্ন টি গল্পের এক অপূর্ব সম্ভার ।
আসছে এই মাসের শেষেই। পাবেন কিন্ডলে এডিশন ও হার্ড কপি আকারে।
ফ্যালকন বুকসের সঙ্গে যুক্ত থাকুন। চাঁদমামা সম্পর্কিত সমস্ত তথ্য এই পেজে নিয়মিত দিয়ে দেওয়া হবে। এই গ্রুপের পাশাপাশি বইগুলির দাম, সূচিপত্র, প্রকাশকাল, প্রি বুকিং লিংক সব কিছুই পাবেন এই পেজে।

 

 

 

 

 

 

 

  আজ থেকে দেড় হাজার বছর আগের কথা, সমস্ত মধ্য এশিয়া জুড়ে হুনেদের রনদামামা বাজছে... ভারতের মাটিতেও সেই আওয়াজ শোনা গেল । আজকের আফগানিস্তান তখন ছিল ভারতবর্ষের অন্তর্গত । সেই সময় তার নাম ছিল গান্ধার, (মনে করা হয়  মহাভারতের গান্ধারী ছিলেন সেই দেশের মেয়ে )। সেই সময় হুনেরা গায়ের জোরে ঐ রাজ্য দখল করলো । তাদের ইচ্ছা ছিল গোটা ভারতবর্ষকেই দখল করার , কিন্তু মগধের সম্রাট 'স্কন্দগুপ্ত ' মস্ত বাধা হয়ে দাঁড়ালেন , তাঁর কাছে যুদ্ধে হেরে গিয়ে হুনেরা কিছুদিন চুপচাপ থাকতে বাধ্য হলো । 

  'স্কন্দগুপ্তএর' মৃত্যুর পর হুনেরা আবার  'তোরমান' ও তাঁর পুত্র 'মিহির গুলের' নেতৃত্ব  আবার   ভারত জয়ের স্বপ্ন  দেখতে লাগলো ।  বর্তমান উত্তর প্রদেশ রাজপুতনা ,পাঞ্জাব ও কাশ্মীর  - এই বিস্তীর্ণ ভূখণ্ড কে দখল করে ফেল্ল । 

এর পর থেকেই এই বইএর কাহিনী শুরু , কিন্তু এই কাহিনীর শেষ কোথায়  ? ইতিহাস বলে একদিন - হুনেদের ভারত জয়ের স্বপ্ন ফুরলো , নটে গাছ টি মুড়লো  ... এই রকম অনেক কথা  , কিন্তু মিহির গুলেরা কি আজই  এই পৃথিবী থেকে নিশ্চিহ্ন  হয়ে  গেছে  ?  নাকি ......





 

Post # 1048 Bengali Amarchitra Katha 221

                                                                          ডাউনলোড করুন

     

 

অনেক দিন পরে আবার ফিরলাম বেশ কিছু ভালো খবর নিয়ে...


 

 

#চাঁদমামাপ্রিবুকিং
°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°°

এসে গেল চাঁদমামা #গল্পসমগ্র, #উপন্যাসসমগ্র ও #বেতালকথাসমগ্র বই তিনটির #প্রিবুকিং লিংক। #কুড়িশতাংশবিশেষছাড়ে প্রি বুকিং করা যাবে। প্রি বুকিং করা যাবে শুধুমাত্র  https://boichitro.in/ এর মাধ্যমে। সারা ভারতে COD অপসন থাকবে।

লিংক নিচে দেওয়া হল
👇👇👇

গল্প সমগ্রঃ 

https://boichitro.in/product/chandmama-sera-galpa-samagra/

বেতাল কথা সমগ্রঃ 

https://boichitro.in/product/chandmama-betal-katha/

উপন্যাস সমগ্রঃ
https://boichitro.in/product/chandmama-upanyas-samagra-volume-1/



সেপ্টেম্বর মাসের পঁচিশ তারিখ পর্যন্ত প্রি বুকিং চলবে। তারপরে অনলাইন সেলার প্রি বুকিং কপি ক্রেতাদের ঠিকানায় পাঠাবে। অক্টোবর মাসের এক তারিখ থেকে কলেজ স্ট্রিটের দেজ পাবলিশিং, দে বুক স্টোর, আদি দে বুক স্টোর, দাস বুক স্টল, অরণ্যমন ইত্যাদি বুক সেলারদের কাউন্…
ফ্যালকন বুকসের পরিকল্পনা ছিল সেপ্টেম্বর মাসের এক তারিখ থেকে চাঁদমামা গল্প সমগ্র, উপন্যাস সমগ্র ও বেতাল কথা সমগ্র বই তিনটির প্রি বুকিং শুরু   করার। কিন্তু প্রচ্ছদ উন্মোচন ও বইগুলির দাম ঘোষণা করার পরে বহু সংখ্যক  পাঠকদের তরফে বইগুলি কেনার জন্য প্রত্যাশাতীত সাড়া পড়ে যায়।  পাঠকদের এই উৎসাহকে সম্মান জানিয়ে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি আগামী কাল থেকে তিনটি বইয়ের প্রি বুকিং শুরু করা হবে।

এই গ্রুপে তিনটি বইয়ের প্রি বুকিং লিংক দিয়ে দেওয়া হবে। প্রি বুকিংয়ে থাকছে ২০% বিশেষ ছাড়। এছাড়া সারা ভারতে সব জায়গায় COD অপশন থাকবে। তাহলে আর দেরি কিসের? প্রস্তুতি নিয়ে নিন প্রি বুকিং এর। এবারের পুজোর মরসুমে আপনার ও আপনার পরিবারের ছোট শিশুটির হাতে থাক চাঁদমামা, আপনার ছোটবেলার স্মৃতিবিজড়িত সেই চাঁদমামা।


 

 

 

 আচ্ছা আপনার মনে আছে নর্মদা নদীর তীরে গন্ডক নামে এক উপজাতি বাস করত যারা গন্ডারদের পোষ মানিয়ে বাহন হিসেবে ব্যবহার করত। তাদের রাজার নাম অরণ্যমাল্লু আর মন্ত্রী শিলামুখী। কিছু মনে পড়ল? 

 


আচ্ছা দেখুন তো খড়্গবর্মা বা জীবদত্ত নামগুলো কোন দিন শুনেছেন কিনা? হ্যাঁ এবারে আপনার মগজ হয়ত ছোটবেলায় চাঁদমামার পাতায় পড়া নামগুলো ধীরে ধীরে মনে করতে পারছে। আবার একবার পড়তে চান সেই উপন্যাসগুলো যেগুলো আপনার ছোটবেলাকে মুগ্ধতার মোহজালে আচ্ছন্ন করে রেখেছিল। ফিরে আসছে #চাঁদমামাউপন্যাসসমগ্র। আপনার শৈশব বা কৈশোরের সেই সাথীকে ফিরে পাওয়ার সুযোগ মিস করবেন না। আপনার পাশাপাশি আপনার বাড়ির ছোট্টটাও এই লেখাগুলোকে ভালোবাসবে। এবারের শারদোৎসবের সেরা উপহার হতে পারে এই বইটি। চলুন একবার ঘুরে আসা যাক ছোটবেলায়।

চাঁদমামা উপন্যাস সমগ্র
কালানুক্রমে প্রথম দুটি উপন্যাস
280 পাতার হার্ডকভার বই
MRP - Rs 339

    

 

 

 

নুরুদ্দীন মহম্মদ সেলিম বা জাহাঙ্গীর (আগস্ট ৩০, ১৫৬৯ – অক্টোবর ২৮, ১৬২৭) ছিলেন মুঘল সাম্রাজ্যের চতুর্থ সম্রাট। তিনি ১৬০৫ সাল থেকে তার মৃত্যু অবধি ১৬২৭ সাল পর্যন্ত রাজত্ব করেন। তাঁর রাজকীয় নামটির (ফার্সী ভাষায়) অর্থ 'বিশ্বের বিজয়ী', 'বিশ্ব-বিজয়ী'।

 

মুঘল সাম্রাজ্যের চতুর্থ সম্রাট জাহাঙ্গীর (১৬০৫-১৬২৭)। তিনি জয়পুরের রাজপুত রাজকন্যা ও সম্রাট আকবরের প্রথম পুত্র এবং তাঁর আসল নাম সেলিম। তিনি তাঁর পিতার উত্তরাধিকারী হিসেবে নূরউদ্দিন মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর উপাধি গ্রহণ করে ১৬০৫ খ্রিস্টাব্দে আগ্রার সিংহাসনে আরোহণ করেন। ক্ষমতা গ্রহণের পর তিনি জনকল্যাণমূলক ১২টি অনুজ্ঞা জারি করেন এবং বিখ্যাত ন্যায়বিচারের শিকল ঝুলিয়ে দেন। পিতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহের সময় যারা তাঁর বিরোধিতা করেছিল তাদের সবার প্রতি তিনি সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেন।

নূরজাহানের সঙ্গে জাহাঙ্গীরের বিয়ে ছিল অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। পারস্যদেশীয় অভিজাতের কন্যা নূরজাহানের পূর্বনাম মেহের-উন-নিসা। বর্ধমানের জায়গির শের আফগান বাংলার গভর্নর কুতুবউদ্দিন খান কোকার হাতে নিহত হলে (১৬০৭) তাঁর স্ত্রী মেহের-উন-নিসা দরবারে ফিরে যান এবং ১৬১১ খ্রিস্টাব্দে জাহাঙ্গীরের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। বিয়ের পর তাঁকে ‘নূরজাহান’ উপাধি দেওয়া হয়। একজন বিদুষী রমণী নূরজাহান তাঁর স্বামীর ওপর এমন কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করেছিলেন যে, তিনি সাম্রাজ্যের যৌথ শাসকে পরিণত হন। নূরজাহানের নাম বাদশাহর সঙ্গে যৌথভাবে মুদ্রায় খোদাই করা হয় এবং তাঁর আত্মীয়রা সাম্রাজ্যের উঁচুপদগুলো দখল করেন।

জাহাঙ্গীরের অধীনে সাম্রাজ্য উত্তর-পূর্ব দিকে ব্যাপক বিস্তার লাভ করে। কোচবিহার, ত্রিপুরা ও কামরূপ মুঘলদের নিয়ন্ত্রণে আসে। জাহাঙ্গীরের প্রধান সামরিক অর্জন ছিল পূর্ব বাংলার বারো ভূঁইয়া ও আফগানদের দমন। মুঘল কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা ও স্থানীয় বাধাবিপত্তি নিশ্চিহ্নকরণ ছিল সম্রাটের দুধভাই আলাউদ্দিনের কৃতিত্ব। আলাউদ্দিনকে ইসলাম খান উপাধি দেওয়া হয়। তিনি ১৬০৮-১৬১৩ সাল পর্যন্ত বাংলার সুবাদার ছিলেন। মির্জা নাথানের বাহারিস্তান-ই-গায়েবিতে স্থানীয় সামন্তশাসক ও আফগান বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে তাঁর সামরিক অভিযানগুলোর সম্পূর্ণ বিবরণ দেওয়া হয়েছে। বিদ্রোহী আফগান নেতা উসমান খান আফগান সম্পূর্ণরূপে পরাস্ত হন এবং ১৬১২ সালে নিহত হন।

ইসলাম খান বাংলার রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তরিত করেন এবং বাদশাহর নামে এর নামকরণ করেন জাহাঙ্গীরনগর। সীমান্ত এলাকায় মগদের আকস্মিক আক্রমণের আশঙ্কার ভিত্তিতে এটি একটি যথার্থ সিদ্ধান্ত ছিল। ১৬১৩ সালে ইসলাম খানের মৃত্যু হয় এবং তাঁর স্থলাভিষিক্ত হন তাঁর ভাই কাসিম খান। অযোগ্য কাসিম খানের আমলে সীমান্ত এলাকায়  মগ ও  পর্তুগিজদের লুটতরাজ আরম্ভ হয়। কিছু জমিদারও মুঘল শাসনের বিরুদ্ধাচরণ শুরু করেন। কাসিম খানের পরবর্তী শাসক ইবরাহিম খান ফতেহ জঙ্গ (১৬১৭-২৪) একজন দায়িত্বশীল সুবাদার ছিলেন। সর্বপ্রথম তিনি প্রশাসনিক অঞ্চলগুলো সুগঠিত করেন। তিনি বিদ্রোহী শাহজাদা খুররমের (শাহজাহান) সঙ্গে যুদ্ধে নিহত হন। শাহজাদা কিছু সময়ের জন্য বাংলায় কর্তৃত্ব স্থাপন করেন। কিন্তু পরে পরাজিত হয়ে দাক্ষিণাত্যে আশ্রয় গ্রহণ করতে বাধ্য হন। শাহজাদা খুররমের বিদ্রোহ দমনের পর জাহাঙ্গীর একে একে মহব্বত খান (১৬২৫), মুকাররম খান (১৬২৬) ও ফিদাই খানকে (১৬২৭-২৮) বাংলার সুবাদার নিযুক্ত করেন। তাঁদের শাসনকাল ছিল সংক্ষিপ্ত এবং ঘটনাবিহীন। ১৬২৭ সালে কাশ্মীর থেকে ফিরে আসার পথে জাহাঙ্গীরের মৃত্যু হয় এবং লাহোরের কাছে শাহদারায় তাঁকে সমাহিত করা হয়।